ঢাকা শুক্রবার, ১৬ জানুয়ারি ২০২৬

৩৭ দেশে ভিসামুক্ত যাত্রা, তবু দুর্বল তালিকায় বাংলাদেশ

নিউজ ডেস্ক

প্রকাশিত: ১৪ জানুয়ারী, ২০২৬, ১২:৪০ দুপুর

ছবি: সংগৃহীত

হেনলি পাসপোর্ট ইনডেক্সের সর্বশেষ হালনাগাদ প্রতিবেদনে বিশ্বের সপ্তম দুর্বল পাসপোর্টের তালিকায় উঠে এসেছে বাংলাদেশের নাম। ২০২৬ সালের জানুয়ারির র‌্যাংকিং অনুযায়ী, বৈশ্বিক পাসপোর্ট সূচকে বাংলাদেশ বর্তমানে ৯৫তম অবস্থানে রয়েছে।

হেনলি অ্যান্ড পার্টনারস প্রকাশিত তথ্যে দেখা যায়, বর্তমানে বাংলাদেশি পাসপোর্টধারীরা বিশ্বের মাত্র ৩৭টি দেশে ভিসা ছাড়াই ভ্রমণের সুযোগ পাচ্ছেন। মোট ১০১টি দেশের পাসপোর্টের মধ্যে এই অবস্থান বাংলাদেশকে বিশ্বের দুর্বল পাসপোর্টগুলোর তালিকায় রেখেছে। তবে আগের বছরের তুলনায় সামান্য অগ্রগতি হয়েছে। ২০২৫ সালের জানুয়ারিতে ১০৬টি দেশের তালিকায় বাংলাদেশের অবস্থান ছিল ১০০তম।

এই সূচক মূলত কোনো দেশের পাসপোর্টধারীরা কতটি দেশে ভিসা ছাড়াই প্রবেশ করতে পারেন, তার ভিত্তিতে তৈরি করা হয়। ভিসামুক্ত ভ্রমণের সুযোগ যত বেশি, পাসপোর্টের অবস্থান তত শক্তিশালী হিসেবে বিবেচিত হয়।

দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলোর মধ্যে বাংলাদেশের অবস্থান তুলনামূলকভাবে দুর্বল। এই অঞ্চলে সবচেয়ে শক্তিশালী পাসপোর্ট হিসেবে উঠে এসেছে মালদ্বীপ, যার অবস্থান ৫২তম। মালদ্বীপের নাগরিকরা ভিসা ছাড়াই ৯২টি দেশে ভ্রমণ করতে পারেন। দক্ষিণ এশিয়ায় বাংলাদেশের পাসপোর্ট দুর্বলতার দিক থেকে পঞ্চম অবস্থানে রয়েছে।

বিশ্বব্যাপী পাসপোর্ট র‌্যাংকিংয়ে এবারও শীর্ষে রয়েছে সিঙ্গাপুর। দেশটির পাসপোর্টধারীরা ১৯২টি দেশে ভিসা ছাড়াই প্রবেশ করতে পারেন। দ্বিতীয় অবস্থানে রয়েছে জাপান ও দক্ষিণ কোরিয়া, যাদের নাগরিকরা ১৮৮টি গন্তব্যে ভিসামুক্ত ভ্রমণের সুবিধা পান।

তৃতীয় অবস্থানে রয়েছে ডেনমার্ক, লুক্সেমবার্গ, স্পেন, সুইডেন ও সুইজারল্যান্ড। এসব দেশের নাগরিকরা ১৮৬টি দেশে ভিসা ছাড়া ভ্রমণ করতে পারেন। চতুর্থ অবস্থানে থাকা ইউরোপের একাধিক দেশের পাসপোর্টধারীরা ১৮৫টি দেশে ভিসামুক্ত প্রবেশাধিকার পান। পঞ্চম স্থানে থাকা দেশগুলোর নাগরিকরা ভিসা ছাড়াই ১৮৪টি দেশে যেতে পারেন।

সূচকের একেবারে তলানিতে রয়েছে পাকিস্তান, ইয়েমেন, ইরাক, সিরিয়া ও আফগানিস্তান। এসব দেশের নাগরিকদের ভিসামুক্ত ভ্রমণের সুযোগ সীমিত, যা ২৪ থেকে ৩১টি গন্তব্যের মধ্যে রয়েছে।

হেনলি পাসপোর্ট ইনডেক্স তৈরিতে বিশ্বের ১৯৯টি পাসপপোর্ট ও ২২৭টি ভ্রমণ গন্তব্য বিবেচনায় নেওয়া হয়েছে। আন্তর্জাতিক ভ্রমণ সক্ষমতার দিক থেকে এটি একটি গুরুত্বপূর্ণ সূচক হিসেবে বিবেচিত হয়।

Link copied!