সংসদ সদস্য নিজে যদি দুর্নীতিতে জড়িত থাকেন, তাহলে ঠিকাদারদের সৎ থাকার কোনো সুযোগ থাকে না—এমন মন্তব্য করেছেন ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থী ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানা। তিনি বলেন, এমপি সৎ হলে কোনো ঠিকাদারের সাধ্য নেই সরকারি উন্নয়নকাজে চুরি করার।
সোমবার বিকেলে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার পানিশ্বর এলাকায় স্থানীয়দের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় এসব কথা বলেন রুমিন ফারহানা। সভায় সরকারি উন্নয়নকাজে অনিয়ম ও দুর্নীতির চিত্র তুলে ধরে তিনি বলেন, এমপি ও তার আশপাশের লোকজনই মূলত অধিকাংশ অর্থ আত্মসাৎ করে নেয়।
রুমিন ফারহানা বলেন, অনেক ক্ষেত্রে উন্নয়ন প্রকল্পের অর্থের বড় একটি অংশ এমপি ও তার ঘনিষ্ঠরা ভাগ করে নেন। এতে ঠিকাদারের হাতে অল্প টাকা আসে, যার ভেতর থেকে নামমাত্র কাজ করে বাকি অর্থ আত্মসাৎ করা হয়। এই ব্যবস্থায় সাধারণ মানুষ প্রকৃত উন্নয়ন থেকে বঞ্চিত হয়।
নির্বাচিত হলে নিজ এলাকার সরকারি হাসপাতালেই চিকিৎসা নেবেন জানিয়ে তিনি বলেন, এতে করে হাসপাতালের বাস্তব চিত্র নিজ চোখে দেখা যাবে। কোন চিকিৎসক দায়িত্বে অবহেলা করেন, কীভাবে ওষুধ সংকট তৈরি হয়—সবকিছুর জবাবদিহি নিশ্চিত করা হবে বলে জানান তিনি।
ব্যক্তিগত জীবনের কথা উল্লেখ করে রুমিন ফারহানা বলেন, তার কোনো নিকটাত্মীয় নেই যারা ক্ষমতার সুযোগ নিতে পারে। তিনি দাবি করেন, নির্বাচিত হলেও কেউ তদবির বা সুবিধা নিতে লাইনে দাঁড়াবে না। স্থানীয় জনগণই তার প্রকৃত পরিবার।
মতবিনিময় সভায় স্থানীয়রা এলাকার প্রয়োজনীয় উন্নয়ন প্রকল্পের একটি তালিকা তার হাতে তুলে দেন। এ বিষয়ে তিনি বলেন, জনগণ তাকে নির্বাচিত করলে উন্নয়ন কাজগুলো বাস্তবায়নে সর্বোচ্চ চেষ্টা করবেন। তবে প্রতিশ্রুতি রক্ষা করতে ব্যর্থ হলে আর ভোট চাইতে আসবেন না বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

আপনার মতামত লিখুন :