ঢাকা বৃহস্পতিবার, ০৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৬

শিক্ষা দিয়ে মানুষ গড়ার দর্শনে তৌফিক সুলতান স্যার

নিউজ ডেস্ক

প্রকাশিত: ০৪ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, ০৪:০৯ দুপুর

ছবি: সংগৃহীত

৪ ফেব্রুয়ারি লেখক ও শিক্ষক তৌফিক সুলতান স্যারের জন্মদিন। শিক্ষা ও জ্ঞানচর্চাকে কেবল পরীক্ষার গণ্ডিতে সীমাবদ্ধ না রেখে বাস্তব ও ব্যবহারিক করে তোলার যে প্রয়াস তিনি দীর্ঘদিন ধরে চালিয়ে যাচ্ছেন, তা সাম্প্রতিক সময়ে শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের মধ্যে ব্যাপক আলোচনার জন্ম দিয়েছে।

গাজীপুর জেলার কাপাসিয়া উপজেলার বারিষাব গ্রামের সন্তান তৌফিক সুলতান স্যার শিক্ষকতা, লেখালেখি ও সামাজিক উদ্যোগ—এই তিনটি ক্ষেত্রকে সমন্বয় করে শিক্ষা সংস্কারের চিন্তা বাস্তবায়নে কাজ করে যাচ্ছেন। প্রচলিত মুখস্থনির্ভর শিক্ষাব্যবস্থার সীমাবদ্ধতা চিহ্নিত করে তিনি পড়াশোনাকে বোঝা, মনে রাখা এবং বাস্তব জীবনে প্রয়োগযোগ্য করার কৌশল নিয়ে ধারাবাহিকভাবে গবেষণা ও অনুশীলন করছেন।

এই চিন্তার বাস্তব প্রতিফলন দেখা যায় তাঁর দিকনির্দেশনামূলক গ্রন্থ ‘জ্ঞানের জগৎ – World of Knowledge’-এ। বইটিতে শিক্ষার্থীদের অধ্যয়ন পদ্ধতি, সময় ব্যবস্থাপনা, স্মৃতিশক্তি উন্নয়ন এবং জ্ঞানচর্চার কৌশল সহজ ও প্রাঞ্জল ভাষায় তুলে ধরা হয়েছে। দেশের বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে বইটির মোড়ক উন্মোচন এবং বিশিষ্ট ব্যক্তিদের হাতে হস্তান্তরের মাধ্যমে তিনি পাঠাভ্যাস ও জ্ঞানভিত্তিক সমাজ গঠনের বার্তা ছড়িয়ে দিচ্ছেন।

বইটির একটি গুরুত্বপূর্ণ দিক হলো—এটি কেবল পরীক্ষাকেন্দ্রিক নয়। এতে স্মৃতিশক্তি ও মনোযোগ বৃদ্ধির কৌশল, মনোবিজ্ঞান, মস্তিষ্কের স্বাস্থ্য, সময় ব্যবস্থাপনা, নিয়মিত চর্চার গুরুত্ব এবং ইসলামিক দৃষ্টিভঙ্গিতে জ্ঞান অর্জন ও প্রয়োগ নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়েছে। পাশাপাশি স্মৃতিশক্তি বাড়াতে সহায়ক খাদ্যাভ্যাস, সুস্থ জীবনধারা এবং দৈনন্দিন জীবনে জ্ঞান প্রয়োগের বাস্তব কৌশলও বইটিতে অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। লেখালেখির দক্ষতা থাকলেও যারা আর্থিকভাবে সফল হতে পারছেন না—তাদের জন্যও এতে বাস্তব দিকনির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

সাহিত্যচর্চাতেও তিনি সক্রিয়। তাঁর কবিতা ও প্রবন্ধে মানবিক মূল্যবোধ, আত্মউন্নয়ন এবং সামাজিক দায়বদ্ধতার বিষয়গুলো গুরুত্ব পায়। শিক্ষকতা, গবেষণা ও সামাজিক সম্পৃক্ততার সমন্বয়ে তিনি শিক্ষা ও সমাজ উন্নয়নে একটি দীর্ঘমেয়াদি দর্শন নিয়ে এগিয়ে যাচ্ছেন।

১৯৯৯ সালের ৪ ফেব্রুয়ারি গাজীপুর জেলার কাপাসিয়া উপজেলার বারিষাব গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন তৌফিক সুলতান স্যার। তিনি আব্দুল করিম ও ফাতেমা বেগমের জ্যেষ্ঠ সন্তান। সদ্য প্রকাশিত ‘জ্ঞানের জগৎ’ বইটি তিনি নরোত্তমপুর গ্রামে নিজ বাসভবনে বসেই রচনা করেন।

জন্মদিন উপলক্ষে তাঁর সহকর্মী, শিক্ষার্থী ও শুভানুধ্যায়ীরা বলেন, তৌফিক সুলতান স্যার সেই মানুষদের একজন—যাঁরা শিক্ষা দিয়ে কেবল ফলাফল নয়, বরং মানুষ গড়ার স্বপ্ন দেখেন। তাঁর লেখনী ও চিন্তাধারা ইতোমধ্যে শিক্ষাব্যবস্থা ও সমাজে নতুন দিগন্তের সূচনা করেছে। তাঁর কাজ শিক্ষার্থীদের চিন্তা, অধ্যয়ন পদ্ধতি ও আত্মবিশ্বাসকে আরও গভীর ও বিস্তৃত করছে।

যাঁরা তাঁর লেখা ও চিন্তাধারা সম্পর্কে জানতে চান, তাঁরা গুগলে সার্চ করতে পারেন—
“লেখক তৌফিক সুলতান স্যার”, “Towfiq Sultan Sir”, “Writer Towfiq Sir”, “Al Towfiqi”, “আল তৌফিকী”, “তৌফিক স্যার”—ইত্যাদি শব্দ ব্যবহার করে।

তৌফিক সুলতান স্যার কেবল একজন শিক্ষক বা লেখক নন; তিনি একটি চিন্তার নাম, একটি আলোকিত যাত্রার প্রতীক—যার লক্ষ্য শিক্ষা দিয়ে মানুষ গড়া এবং মানুষ দিয়ে সমাজ বদলানো।

Link copied!