দৈনিক পরিবর্তন সংবাদ

রাজধানীর রমনায় অফিসার্স ক্লাবের একটি নির্মাণাধীন ভবন থেকে পড়ে সাবেক অতিরিক্ত সচিব মো. মোশাররফ হোসেনের ৭২ মৃত্যু হয়েছে। গতকাল শুক্রবার ১৬ অক্টোবর সকালে ভবনটির নিচতলায় সিঁড়ির পাশ থেকে তাঁকে অচেতন ও রক্তাক্ত অবস্থায় উদ্ধার করা হয়। পরে হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসাধীন অবস্থায় রাতেই তাঁর মৃত্যু হয়।

অফিসার্স ক্লাবের নির্মাণাধীন ভবন থেকে পড়ে সাবেক অতিরিক্ত সচিবের মৃত্যু

অফিসার্স ক্লাবের নির্মাণাধীন ভবন থেকে পড়ে সাবেক অতিরিক্ত সচিবের মৃত্যু

রাজধানীর রমনায় অফিসার্স ক্লাবের একটি নির্মাণাধীন ভবন থেকে পড়ে সাবেক অতিরিক্ত সচিব মো. মোশাররফ হোসেনের (৭২) মৃত্যু হয়েছে। গতকাল শুক্রবার (১৬ অক্টোবর) সকালে ভবনটির নিচতলায় সিঁড়ির পাশ থেকে তাঁকে অচেতন ও রক্তাক্ত অবস্থায় উদ্ধার করা হয়। পরে হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসাধীন অবস্থায় রাতেই তাঁর মৃত্যু হয়।

পুলিশের প্রাথমিক ধারণা, নির্মাণাধীন ভবনটির বেজমেন্ট-১-এর একটি ফাঁকা জায়গা দিয়ে নিচে বেজমেন্ট-৩-এর মেঝেতে পড়ে গিয়ে গুরুতর আহত হন তিনি। তবে ঠিক কীভাবে এ ঘটনা ঘটেছে, তা নিশ্চিত হতে পুলিশ ঘটনাস্থলের পরিস্থিতি ও সিসিটিভি ফুটেজ পর্যালোচনা করেছে।


মেয়েকে সাঁতার শেখাতে গিয়ে ক্লাবে যান

রমনা থানা-পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, গতকাল শুক্রবার (১৬ অক্টোবর) সকাল ১০টার দিকে ছোট মেয়েকে সাঁতার শেখাতে রাজধানীর রমনায় অবস্থিত অফিসার্স ক্লাবে যান মোশাররফ হোসেন। তিনি ক্লাবটির সদস্য ছিলেন। সেখানে মেয়েকে সুইমিংপুলের কাছে রেখে তিনি পাশের নির্মাণাধীন ভবনটির ভেতরে প্রবেশ করেন।

এরপর কিছু সময়ের মধ্যে তিনি ভবনটির ভেতরে কীভাবে চলাচল করছিলেন এবং কোন পরিস্থিতিতে নিচে পড়ে যান, তা নিয়ে তদন্ত শুরু করে পুলিশ। প্রাথমিকভাবে সিসিটিভি ফুটেজে তাঁর একাধিকবার ভবনটির ওপরের দিকে ওঠা এবং নিচে নামার দৃশ্য পাওয়া গেছে বলে জানিয়েছে সংশ্লিষ্ট থানা-পুলিশ।


সিসিটিভি ফুটেজে বারবার ওঠানামার দৃশ্য

রমনা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. ইয়াছিন মিয়া গতকাল শুক্রবার রাতে প্রথম আলোকে জানান, অফিসার্স ক্লাবের সিসিটিভি ক্যামেরার ফুটেজে মোশাররফ হোসেনকে ভবনটির ভেতরে বারবার ওপরে উঠতে এবং নিচে নামতে দেখা গেছে। পুলিশের ধারণা, একপর্যায়ে তিনি ভবনটির বেজমেন্ট-১-এর ফাঁকা জায়গা দিয়ে নিচে পড়ে যান।

ওসির ভাষ্য অনুযায়ী, তিনি হয়তো ভবনের ভেতরে চলাচলের পথ খুঁজে পাচ্ছিলেন না। তবে এটি পুলিশের প্রাথমিক ধারণা। ঠিক কী কারণে তিনি ওই স্থানে গিয়েছিলেন এবং কীভাবে নিচে পড়ে গেলেন, সে বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য তদন্তের মাধ্যমে নিশ্চিত হওয়ার বিষয় রয়েছে।


সিঁড়ির পাশ থেকে অচেতন অবস্থায় উদ্ধার

পুলিশ জানায়, গতকাল শুক্রবার (১৬ অক্টোবর) সকাল আনুমানিক সোয়া ১১টার দিকে নির্মাণাধীন ভবনটির নিচতলায় সিঁড়ির পাশ থেকে মোশাররফ হোসেনকে অচেতন অবস্থায় উদ্ধার করা হয়। সে সময় তাঁর শরীরে গুরুতর আঘাতের চিহ্ন ছিল। পরে দ্রুত তাঁকে রাজধানীর শাহবাগে অবস্থিত বারডেম হাসপাতালে নেওয়া হয়।

বারডেম হাসপাতালে নেওয়ার পর তাঁর শারীরিক অবস্থার অবনতি ও চিকিৎসার প্রয়োজন বিবেচনায় চিকিৎসকের পরামর্শে তাঁকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়। রাত পৌনে ১২টার দিকে তাঁকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাঁকে মৃত ঘোষণা করেন।


মরদেহের সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরি

ঘটনার পর পুলিশ মোশাররফ হোসেনের মরদেহের সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরি করেছে। তাঁর শরীরে আঘাতের ধরন এবং মৃত্যুর আগে কী পরিস্থিতি তৈরি হয়েছিল, তা তদন্তের অংশ হিসেবে বিবেচনা করা হচ্ছে।

পুলিশের প্রাথমিক ধারণা, ওপর থেকে নিচে পড়ে যাওয়ার কারণেই তিনি গুরুতর আহত হয়েছিলেন। তবে ঘটনার প্রকৃত পরিস্থিতি নির্ধারণে সিসিটিভি ফুটেজ, ঘটনাস্থলের অবস্থা এবং সংশ্লিষ্ট অন্যান্য তথ্য গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করা হচ্ছে।


ময়নাতদন্ত ছাড়াই মরদেহ হস্তান্তরের সিদ্ধান্ত

পুলিশ জানিয়েছে, পরিবারের সদস্যরা ময়নাতদন্ত করতে না চাওয়ায় ময়নাতদন্ত ছাড়াই মরদেহ দাফনের জন্য স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করা হবে। এ বিষয়ে পরিবারের ইচ্ছার কথা বিবেচনায় নিয়ে পরবর্তী ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।

এদিকে, নির্মাণাধীন ভবনটির ভেতরে নিরাপত্তাব্যবস্থা কেমন ছিল এবং বেজমেন্টের ফাঁকা জায়গাটি সুরক্ষিত ছিল কি না, সে বিষয়ে বিস্তারিত কোনো তথ্য তাৎক্ষণিকভাবে পাওয়া যায়নি।


যুক্তরাষ্ট্র থেকে বড় মেয়ে ফিরলে দাফন

রমনা থানার ওসি মো. ইয়াছিন মিয়া জানান, মোশাররফ হোসেনের স্ত্রী আগেই মারা গেছেন। তাঁর বড় মেয়ে যুক্তরাষ্ট্রে বসবাস করেন। তিনি দেশে ফেরার পর মরদেহ দাফন করা হবে বলে পরিবারের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে।

মোশাররফ হোসেন রাজধানীর বনানীর ৫ নম্বর সড়কের একটি বাড়িতে বসবাস করতেন। তাঁর গ্রামের বাড়ি মুন্সিগঞ্জ সদর উপজেলার দেওভুনা গ্রামে। সাবেক এই অতিরিক্ত সচিবের মৃত্যুর ঘটনায় তাঁর পরিবার ও স্বজনদের মধ্যে শোকের ছায়া নেমে এসেছে।


ঘটনার কারণ অনুসন্ধানে পুলিশের প্রাথমিক পর্যবেক্ষণ

এ ঘটনায় পুলিশের প্রাথমিক পর্যবেক্ষণে নির্মাণাধীন ভবনের বেজমেন্টের ফাঁকা জায়গা দিয়ে নিচে পড়ে যাওয়ার বিষয়টি উঠে এসেছে। তবে তিনি অসাবধানতাবশত পড়ে গিয়েছিলেন, নাকি অন্য কোনো পরিস্থিতির কারণে এ দুর্ঘটনা ঘটেছে, সে বিষয়ে নিশ্চিত কোনো সিদ্ধান্ত জানানো হয়নি।

সিসিটিভি ফুটেজে তাঁর চলাচলের দৃশ্য পাওয়া গেলেও ঘটনার প্রতিটি মুহূর্ত সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য প্রকাশ করা হয়নি। ফলে মৃত্যুর সুনির্দিষ্ট পরিস্থিতি সম্পর্কে চূড়ান্ত সিদ্ধান্তে পৌঁছাতে পুলিশের তদন্ত ও অন্যান্য প্রাসঙ্গিক তথ্যের গুরুত্ব রয়েছে।

রাজধানীর একটি অভিজাত ক্লাবের নির্মাণাধীন ভবনে এ ধরনের ঘটনায় নির্মাণকাজ চলাকালে নিরাপত্তাব্যবস্থা এবং চলাচলের পথ যথাযথভাবে সুরক্ষিত রাখার বিষয়টি নতুন করে আলোচনায় এসেছে। তবে অফিসার্স ক্লাবের নিরাপত্তাব্যবস্থা নিয়ে কর্তৃপক্ষের কোনো আনুষ্ঠানিক বক্তব্য তাৎক্ষণিকভাবে পাওয়া যায়নি।

পরিবর্তন সংবাদ/এসআর

0.0%
0.0%
0.0%
0.0%

মতামত

অফিসার্স ক্লাবের নির্মাণাধীন ভবন থেকে পড়ে সাবেক অতিরিক্ত সচিবের মৃত্যু
0:00 0:00
1.0x
দৈনিক পরিবর্তন সংবাদ

শনিবার, ১৭ অক্টোবর ২০২৬


অফিসার্স ক্লাবের নির্মাণাধীন ভবন থেকে পড়ে সাবেক অতিরিক্ত সচিবের মৃত্যু

প্রকাশের তারিখ : ১৭ অক্টোবর ২০২৬

featured Image

রাজধানীর রমনায় অফিসার্স ক্লাবের একটি নির্মাণাধীন ভবন থেকে পড়ে সাবেক অতিরিক্ত সচিব মো. মোশাররফ হোসেনের (৭২) মৃত্যু হয়েছে। গতকাল শুক্রবার (১৬ অক্টোবর) সকালে ভবনটির নিচতলায় সিঁড়ির পাশ থেকে তাঁকে অচেতন ও রক্তাক্ত অবস্থায় উদ্ধার করা হয়। পরে হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসাধীন অবস্থায় রাতেই তাঁর মৃত্যু হয়।


পুলিশের প্রাথমিক ধারণা, নির্মাণাধীন ভবনটির বেজমেন্ট-১-এর একটি ফাঁকা জায়গা দিয়ে নিচে বেজমেন্ট-৩-এর মেঝেতে পড়ে গিয়ে গুরুতর আহত হন তিনি। তবে ঠিক কীভাবে এ ঘটনা ঘটেছে, তা নিশ্চিত হতে পুলিশ ঘটনাস্থলের পরিস্থিতি ও সিসিটিভি ফুটেজ পর্যালোচনা করেছে।


মেয়েকে সাঁতার শেখাতে গিয়ে ক্লাবে যান


রমনা থানা-পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, গতকাল শুক্রবার (১৬ অক্টোবর) সকাল ১০টার দিকে ছোট মেয়েকে সাঁতার শেখাতে রাজধানীর রমনায় অবস্থিত অফিসার্স ক্লাবে যান মোশাররফ হোসেন। তিনি ক্লাবটির সদস্য ছিলেন। সেখানে মেয়েকে সুইমিংপুলের কাছে রেখে তিনি পাশের নির্মাণাধীন ভবনটির ভেতরে প্রবেশ করেন।


এরপর কিছু সময়ের মধ্যে তিনি ভবনটির ভেতরে কীভাবে চলাচল করছিলেন এবং কোন পরিস্থিতিতে নিচে পড়ে যান, তা নিয়ে তদন্ত শুরু করে পুলিশ। প্রাথমিকভাবে সিসিটিভি ফুটেজে তাঁর একাধিকবার ভবনটির ওপরের দিকে ওঠা এবং নিচে নামার দৃশ্য পাওয়া গেছে বলে জানিয়েছে সংশ্লিষ্ট থানা-পুলিশ।


সিসিটিভি ফুটেজে বারবার ওঠানামার দৃশ্য


রমনা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. ইয়াছিন মিয়া গতকাল শুক্রবার রাতে প্রথম আলোকে জানান, অফিসার্স ক্লাবের সিসিটিভি ক্যামেরার ফুটেজে মোশাররফ হোসেনকে ভবনটির ভেতরে বারবার ওপরে উঠতে এবং নিচে নামতে দেখা গেছে। পুলিশের ধারণা, একপর্যায়ে তিনি ভবনটির বেজমেন্ট-১-এর ফাঁকা জায়গা দিয়ে নিচে পড়ে যান।


ওসির ভাষ্য অনুযায়ী, তিনি হয়তো ভবনের ভেতরে চলাচলের পথ খুঁজে পাচ্ছিলেন না। তবে এটি পুলিশের প্রাথমিক ধারণা। ঠিক কী কারণে তিনি ওই স্থানে গিয়েছিলেন এবং কীভাবে নিচে পড়ে গেলেন, সে বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য তদন্তের মাধ্যমে নিশ্চিত হওয়ার বিষয় রয়েছে।


সিঁড়ির পাশ থেকে অচেতন অবস্থায় উদ্ধার


পুলিশ জানায়, গতকাল শুক্রবার (১৬ অক্টোবর) সকাল আনুমানিক সোয়া ১১টার দিকে নির্মাণাধীন ভবনটির নিচতলায় সিঁড়ির পাশ থেকে মোশাররফ হোসেনকে অচেতন অবস্থায় উদ্ধার করা হয়। সে সময় তাঁর শরীরে গুরুতর আঘাতের চিহ্ন ছিল। পরে দ্রুত তাঁকে রাজধানীর শাহবাগে অবস্থিত বারডেম হাসপাতালে নেওয়া হয়।


বারডেম হাসপাতালে নেওয়ার পর তাঁর শারীরিক অবস্থার অবনতি ও চিকিৎসার প্রয়োজন বিবেচনায় চিকিৎসকের পরামর্শে তাঁকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়। রাত পৌনে ১২টার দিকে তাঁকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাঁকে মৃত ঘোষণা করেন।


মরদেহের সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরি


ঘটনার পর পুলিশ মোশাররফ হোসেনের মরদেহের সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরি করেছে। তাঁর শরীরে আঘাতের ধরন এবং মৃত্যুর আগে কী পরিস্থিতি তৈরি হয়েছিল, তা তদন্তের অংশ হিসেবে বিবেচনা করা হচ্ছে।


পুলিশের প্রাথমিক ধারণা, ওপর থেকে নিচে পড়ে যাওয়ার কারণেই তিনি গুরুতর আহত হয়েছিলেন। তবে ঘটনার প্রকৃত পরিস্থিতি নির্ধারণে সিসিটিভি ফুটেজ, ঘটনাস্থলের অবস্থা এবং সংশ্লিষ্ট অন্যান্য তথ্য গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করা হচ্ছে।


ময়নাতদন্ত ছাড়াই মরদেহ হস্তান্তরের সিদ্ধান্ত


পুলিশ জানিয়েছে, পরিবারের সদস্যরা ময়নাতদন্ত করতে না চাওয়ায় ময়নাতদন্ত ছাড়াই মরদেহ দাফনের জন্য স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করা হবে। এ বিষয়ে পরিবারের ইচ্ছার কথা বিবেচনায় নিয়ে পরবর্তী ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।


এদিকে, নির্মাণাধীন ভবনটির ভেতরে নিরাপত্তাব্যবস্থা কেমন ছিল এবং বেজমেন্টের ফাঁকা জায়গাটি সুরক্ষিত ছিল কি না, সে বিষয়ে বিস্তারিত কোনো তথ্য তাৎক্ষণিকভাবে পাওয়া যায়নি।


যুক্তরাষ্ট্র থেকে বড় মেয়ে ফিরলে দাফন


রমনা থানার ওসি মো. ইয়াছিন মিয়া জানান, মোশাররফ হোসেনের স্ত্রী আগেই মারা গেছেন। তাঁর বড় মেয়ে যুক্তরাষ্ট্রে বসবাস করেন। তিনি দেশে ফেরার পর মরদেহ দাফন করা হবে বলে পরিবারের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে।


মোশাররফ হোসেন রাজধানীর বনানীর ৫ নম্বর সড়কের একটি বাড়িতে বসবাস করতেন। তাঁর গ্রামের বাড়ি মুন্সিগঞ্জ সদর উপজেলার দেওভুনা গ্রামে। সাবেক এই অতিরিক্ত সচিবের মৃত্যুর ঘটনায় তাঁর পরিবার ও স্বজনদের মধ্যে শোকের ছায়া নেমে এসেছে।


ঘটনার কারণ অনুসন্ধানে পুলিশের প্রাথমিক পর্যবেক্ষণ


এ ঘটনায় পুলিশের প্রাথমিক পর্যবেক্ষণে নির্মাণাধীন ভবনের বেজমেন্টের ফাঁকা জায়গা দিয়ে নিচে পড়ে যাওয়ার বিষয়টি উঠে এসেছে। তবে তিনি অসাবধানতাবশত পড়ে গিয়েছিলেন, নাকি অন্য কোনো পরিস্থিতির কারণে এ দুর্ঘটনা ঘটেছে, সে বিষয়ে নিশ্চিত কোনো সিদ্ধান্ত জানানো হয়নি।


সিসিটিভি ফুটেজে তাঁর চলাচলের দৃশ্য পাওয়া গেলেও ঘটনার প্রতিটি মুহূর্ত সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য প্রকাশ করা হয়নি। ফলে মৃত্যুর সুনির্দিষ্ট পরিস্থিতি সম্পর্কে চূড়ান্ত সিদ্ধান্তে পৌঁছাতে পুলিশের তদন্ত ও অন্যান্য প্রাসঙ্গিক তথ্যের গুরুত্ব রয়েছে।


রাজধানীর একটি অভিজাত ক্লাবের নির্মাণাধীন ভবনে এ ধরনের ঘটনায় নির্মাণকাজ চলাকালে নিরাপত্তাব্যবস্থা এবং চলাচলের পথ যথাযথভাবে সুরক্ষিত রাখার বিষয়টি নতুন করে আলোচনায় এসেছে। তবে অফিসার্স ক্লাবের নিরাপত্তাব্যবস্থা নিয়ে কর্তৃপক্ষের কোনো আনুষ্ঠানিক বক্তব্য তাৎক্ষণিকভাবে পাওয়া যায়নি।

পরিবর্তন সংবাদ/এসআর



দৈনিক পরিবর্তন সংবাদ

উপদেষ্টা সম্পাদক: গোলাম আকবর খন্দকার (সাবেক এমপি)
ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক: লেঃ কর্নেল এ কে এম রশিদুন্নবী,পিএসসি ( অবঃ)
সম্পাদক ও প্রকাশক: মোঃ শাহাদাৎ হোসেন

কপিরাইট © ২০২৬ । সর্বস্ব সংরক্ষিত