চট্টগ্রামের সন্দ্বীপ উপজেলার সারিকাইত ইউনিয়নের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ সড়ক ধোপার গোপাটের পশ্চিমাংশে বলির পোল থেকে পশ্চিম দিকে যাওয়ার রাস্তার বেহাল দশা। দীর্ঘদিন সংস্কার না হওয়ায় সড়কটির বিভিন্ন অংশ ভেঙে খালের মধ্যে বিলীন হয়ে যাচ্ছে। এতে প্রতিদিন চলাচলকারী হাজারো মানুষকে চরম দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে।
স্থানীয়দের ভাষ্য অনুযায়ী, সড়কটির এক পাশে খাল থাকায় এবং অপর্যাপ্ত মাটি ও সড়কের পাশের সুরক্ষা না থাকায় ভারী ট্রাক চলাচলের ফলে রাস্তার ভাঙন ক্রমেই বাড়ছে। বিশেষ করে ইট ও বালুবোঝাই ট্রাক চলাচলের সময় সড়কের দুর্বল অংশ আরও ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। ফলে যেকোনো সময় দুর্ঘটনার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে।
এলাকাবাসী জানান, দীর্ঘদিন ধরে সড়কটির প্রয়োজনীয় সংস্কার করা হয়নি। চলাচলের অনুপযোগী হয়ে পড়া বিভিন্ন অংশে স্থানীয়রা নিজেদের উদ্যোগে রাবিশ ও ভাঙা ইট ফেলে সাময়িকভাবে চলাচলের ব্যবস্থা করেছেন। তবে সড়কের বর্তমান অবস্থার তুলনায় এসব উদ্যোগ অত্যন্ত অপ্রতুল। বৃষ্টি ও ভারী যানবাহনের চাপে সাময়িক সংস্কারও বেশিদিন টিকছে না।
সবচেয়ে বেশি দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে অসুস্থ রোগী, গর্ভবতী মা, শিশু ও বয়স্কদের। জরুরি প্রয়োজনে রোগীদের হাসপাতালে নেওয়া কিংবা গর্ভবতী মায়েদের নিরাপদে যাতায়াতের ক্ষেত্রে সড়কটি বড় বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে। ভাঙা ও সরু রাস্তা দিয়ে চলাচল করতে গিয়ে প্রতিনিয়ত ঝুঁকির মুখে পড়ছেন স্থানীয় বাসিন্দারা।
সড়কটি সারিকাইত ইউনিয়নের সাতঘড়িয়া এলাকার ৭ ও ৮ নম্বর ওয়ার্ডের মধ্যে যোগাযোগের গুরুত্বপূর্ণ মাধ্যম। স্থানীয়দের দাবি, প্রতিদিন গড়ে প্রায় ৫ থেকে ৭ হাজার মানুষ এ সড়ক দিয়ে চলাচল করেন। শিবেরহাটে যাতায়াতের পাশাপাশি স্কুল, কলেজ, মাদ্রাসা, বাজার ও বিভিন্ন প্রয়োজনীয় গন্তব্যে পৌঁছাতে এলাকাবাসীকে এই সড়কের ওপর নির্ভর করতে হয়।
এলাকাটিতে হিন্দু ও মুসলিম সম্প্রদায়ের বহু পরিবারের বসবাস রয়েছে। সড়কটির আশপাশে রয়েছে একটি প্রাথমিক বিদ্যালয়, দুটি মসজিদসহ বিভিন্ন সামাজিক ও ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান। ফলে সড়কটির বেহাল অবস্থা শুধু যাতায়াতের সমস্যাই নয়, স্থানীয়দের শিক্ষা, চিকিৎসা, ব্যবসা-বাণিজ্য ও দৈনন্দিন জীবনযাত্রাকেও প্রভাবিত করছে।
স্থানীয়দের অভিযোগ, রাস্তার দুই পাশে পর্যাপ্ত মাটি না থাকায় ভারী যানবাহনের চাপ সামলাতে পারছে না সড়কটি। বিশেষ করে খালের পাশের অংশে ভাঙন বাড়তে থাকায় সড়কটি আরও সংকুচিত হয়ে পড়ছে। দ্রুত কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়া না হলে যোগাযোগব্যবস্থা আরও ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে উঠতে পারে বলে আশঙ্কা করছেন তাঁরা।
এলাকাবাসীর ভাষ্য, নির্বাচিত চেয়ারম্যান না থাকায় সড়কটির সংস্কারকাজ শুরু হচ্ছে না।
এলাকাবাসীর দাবি, জনসাধারণের দুর্ভোগ কমাতে দ্রুত সড়কটির ক্ষতিগ্রস্ত অংশ সংস্কার, খালের পাশের ভাঙন রোধে প্রয়োজনীয় সুরক্ষাব্যবস্থা এবং রাস্তার দুই পাশে পর্যাপ্ত মাটি দিয়ে স্থায়ীভাবে চলাচলের উপযোগী করে তোলা হোক। একই সঙ্গে সড়কটির ওপর দিয়ে ভারী যানবাহন চলাচলের বিষয়টি বিবেচনায় নিয়ে টেকসই সংস্কার নিশ্চিত করার আহ্বান জানিয়েছেন তাঁরা।
স্থানীয়দের মতে, ধোপার গোপাটের পশ্চিমাংশের এই সড়কটি কেবল একটি চলাচলের পথ নয়; এটি এলাকার হাজারো মানুষের শিক্ষা, চিকিৎসা, জীবিকা ও দৈনন্দিন যোগাযোগের গুরুত্বপূর্ণ সংযোগ। তাই সাময়িক মেরামতের পরিবর্তে দ্রুত স্থায়ী সমাধানে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কার্যকর উদ্যোগ প্রয়োজন।

বৃহস্পতিবার, ২২ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২২ অক্টোবর ২০২৬
চট্টগ্রামের সন্দ্বীপ উপজেলার সারিকাইত ইউনিয়নের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ সড়ক ধোপার গোপাটের পশ্চিমাংশে বলির পোল থেকে পশ্চিম দিকে যাওয়ার রাস্তার বেহাল দশা। দীর্ঘদিন সংস্কার না হওয়ায় সড়কটির বিভিন্ন অংশ ভেঙে খালের মধ্যে বিলীন হয়ে যাচ্ছে। এতে প্রতিদিন চলাচলকারী হাজারো মানুষকে চরম দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে।
স্থানীয়দের ভাষ্য অনুযায়ী, সড়কটির এক পাশে খাল থাকায় এবং অপর্যাপ্ত মাটি ও সড়কের পাশের সুরক্ষা না থাকায় ভারী ট্রাক চলাচলের ফলে রাস্তার ভাঙন ক্রমেই বাড়ছে। বিশেষ করে ইট ও বালুবোঝাই ট্রাক চলাচলের সময় সড়কের দুর্বল অংশ আরও ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। ফলে যেকোনো সময় দুর্ঘটনার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে।
এলাকাবাসী জানান, দীর্ঘদিন ধরে সড়কটির প্রয়োজনীয় সংস্কার করা হয়নি। চলাচলের অনুপযোগী হয়ে পড়া বিভিন্ন অংশে স্থানীয়রা নিজেদের উদ্যোগে রাবিশ ও ভাঙা ইট ফেলে সাময়িকভাবে চলাচলের ব্যবস্থা করেছেন। তবে সড়কের বর্তমান অবস্থার তুলনায় এসব উদ্যোগ অত্যন্ত অপ্রতুল। বৃষ্টি ও ভারী যানবাহনের চাপে সাময়িক সংস্কারও বেশিদিন টিকছে না।
সবচেয়ে বেশি দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে অসুস্থ রোগী, গর্ভবতী মা, শিশু ও বয়স্কদের। জরুরি প্রয়োজনে রোগীদের হাসপাতালে নেওয়া কিংবা গর্ভবতী মায়েদের নিরাপদে যাতায়াতের ক্ষেত্রে সড়কটি বড় বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে। ভাঙা ও সরু রাস্তা দিয়ে চলাচল করতে গিয়ে প্রতিনিয়ত ঝুঁকির মুখে পড়ছেন স্থানীয় বাসিন্দারা।
সড়কটি সারিকাইত ইউনিয়নের সাতঘড়িয়া এলাকার ৭ ও ৮ নম্বর ওয়ার্ডের মধ্যে যোগাযোগের গুরুত্বপূর্ণ মাধ্যম। স্থানীয়দের দাবি, প্রতিদিন গড়ে প্রায় ৫ থেকে ৭ হাজার মানুষ এ সড়ক দিয়ে চলাচল করেন। শিবেরহাটে যাতায়াতের পাশাপাশি স্কুল, কলেজ, মাদ্রাসা, বাজার ও বিভিন্ন প্রয়োজনীয় গন্তব্যে পৌঁছাতে এলাকাবাসীকে এই সড়কের ওপর নির্ভর করতে হয়।
এলাকাটিতে হিন্দু ও মুসলিম সম্প্রদায়ের বহু পরিবারের বসবাস রয়েছে। সড়কটির আশপাশে রয়েছে একটি প্রাথমিক বিদ্যালয়, দুটি মসজিদসহ বিভিন্ন সামাজিক ও ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান। ফলে সড়কটির বেহাল অবস্থা শুধু যাতায়াতের সমস্যাই নয়, স্থানীয়দের শিক্ষা, চিকিৎসা, ব্যবসা-বাণিজ্য ও দৈনন্দিন জীবনযাত্রাকেও প্রভাবিত করছে।
স্থানীয়দের অভিযোগ, রাস্তার দুই পাশে পর্যাপ্ত মাটি না থাকায় ভারী যানবাহনের চাপ সামলাতে পারছে না সড়কটি। বিশেষ করে খালের পাশের অংশে ভাঙন বাড়তে থাকায় সড়কটি আরও সংকুচিত হয়ে পড়ছে। দ্রুত কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়া না হলে যোগাযোগব্যবস্থা আরও ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে উঠতে পারে বলে আশঙ্কা করছেন তাঁরা।
এলাকাবাসীর ভাষ্য, নির্বাচিত চেয়ারম্যান না থাকায় সড়কটির সংস্কারকাজ শুরু হচ্ছে না।
এলাকাবাসীর দাবি, জনসাধারণের দুর্ভোগ কমাতে দ্রুত সড়কটির ক্ষতিগ্রস্ত অংশ সংস্কার, খালের পাশের ভাঙন রোধে প্রয়োজনীয় সুরক্ষাব্যবস্থা এবং রাস্তার দুই পাশে পর্যাপ্ত মাটি দিয়ে স্থায়ীভাবে চলাচলের উপযোগী করে তোলা হোক। একই সঙ্গে সড়কটির ওপর দিয়ে ভারী যানবাহন চলাচলের বিষয়টি বিবেচনায় নিয়ে টেকসই সংস্কার নিশ্চিত করার আহ্বান জানিয়েছেন তাঁরা।
স্থানীয়দের মতে, ধোপার গোপাটের পশ্চিমাংশের এই সড়কটি কেবল একটি চলাচলের পথ নয়; এটি এলাকার হাজারো মানুষের শিক্ষা, চিকিৎসা, জীবিকা ও দৈনন্দিন যোগাযোগের গুরুত্বপূর্ণ সংযোগ। তাই সাময়িক মেরামতের পরিবর্তে দ্রুত স্থায়ী সমাধানে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কার্যকর উদ্যোগ প্রয়োজন।

মতামত