ধর্মীয় সম্প্রীতি, সৌহার্দ্য ও উৎসবমুখর পরিবেশে চট্টগ্রামের সন্দ্বীপ উপজেলায় সফলভাবে সম্পন্ন হয়েছে শারদীয় দুর্গাপূজা ২০২৬। উপজেলার ৩২টি সার্বজনীন শ্রী শ্রী দুর্গাপূজা মণ্ডপে সনাতন ধর্মাবলম্বীদের এ ধর্মীয় উৎসব উদ্যাপিত হয়। উৎসবজুড়ে শান্তিপূর্ণ পরিবেশ ও বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষের সহযোগিতায় সন্দ্বীপের সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির ঐতিহ্য উঠে এসেছে।
পূজা উদ্যাপনকে কেন্দ্র করে উপজেলা প্রশাসন, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী, রাজনৈতিক সংগঠন ও স্থানীয় জনগণের দায়িত্বশীল ভূমিকা গুরুত্বপূর্ণ ছিল। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ও সন্দ্বীপ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তার (ওসি) নেতৃত্বাধীন প্রশাসনিক ও আইনশৃঙ্খলা ব্যবস্থাপনার পাশাপাশি পুলিশ, আনসার ও ফায়ার সার্ভিসের নিরাপত্তা ও জরুরি সেবাসংক্রান্ত দায়িত্ব উৎসবের সার্বিক ব্যবস্থাপনায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।
সন্দ্বীপ উপজেলা বিএনপি এবং বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী সন্দ্বীপ উপজেলা শাখাসহ স্থানীয় রাজনৈতিক সংগঠনগুলোর সম্প্রীতিমূলক অবস্থানও ধর্মীয় সহাবস্থানের গুরুত্ব তুলে ধরে। একই সঙ্গে সাধারণ মুসলিম জনগণের প্রতিবেশীসুলভ মনোভাব, পারস্পরিক শ্রদ্ধা ও সহযোগিতা এবং পূজা উদ্যাপন কমিটি ও স্বেচ্ছাসেবকদের দায়িত্বশীলতা সামাজিক সৌহার্দ্যের ইতিবাচক দৃষ্টান্ত হিসেবে বিবেচিত হয়।
৩২টি পূজামণ্ডপে ধর্মীয় আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন হওয়ার মধ্য দিয়ে সন্দ্বীপে সব সম্প্রদায়ের মানুষের নিরাপত্তা, ধর্মীয় স্বাধীনতা ও পারস্পরিক মর্যাদার গুরুত্ব নতুন করে সামনে এসেছে। প্রশাসন, রাজনৈতিক সংগঠন ও সাধারণ মানুষের মধ্যে সহযোগিতার এ ধারা অব্যাহত থাকলে ভবিষ্যতেও ধর্মীয় উৎসবগুলো আরও সুন্দর পরিবেশে উদ্যাপন করা সম্ভব হবে।
সম্প্রীতি, সৌহার্দ্য ও সহাবস্থানেই এগিয়ে যাক সন্দ্বীপ—ধর্ম যার যার, নাগরিক অধিকার সবার।

বুধবার, ২১ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২১ অক্টোবর ২০২৬
ধর্মীয় সম্প্রীতি, সৌহার্দ্য ও উৎসবমুখর পরিবেশে চট্টগ্রামের সন্দ্বীপ উপজেলায় সফলভাবে সম্পন্ন হয়েছে শারদীয় দুর্গাপূজা ২০২৬। উপজেলার ৩২টি সার্বজনীন শ্রী শ্রী দুর্গাপূজা মণ্ডপে সনাতন ধর্মাবলম্বীদের এ ধর্মীয় উৎসব উদ্যাপিত হয়। উৎসবজুড়ে শান্তিপূর্ণ পরিবেশ ও বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষের সহযোগিতায় সন্দ্বীপের সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির ঐতিহ্য উঠে এসেছে।
পূজা উদ্যাপনকে কেন্দ্র করে উপজেলা প্রশাসন, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী, রাজনৈতিক সংগঠন ও স্থানীয় জনগণের দায়িত্বশীল ভূমিকা গুরুত্বপূর্ণ ছিল। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ও সন্দ্বীপ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তার (ওসি) নেতৃত্বাধীন প্রশাসনিক ও আইনশৃঙ্খলা ব্যবস্থাপনার পাশাপাশি পুলিশ, আনসার ও ফায়ার সার্ভিসের নিরাপত্তা ও জরুরি সেবাসংক্রান্ত দায়িত্ব উৎসবের সার্বিক ব্যবস্থাপনায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।
সন্দ্বীপ উপজেলা বিএনপি এবং বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী সন্দ্বীপ উপজেলা শাখাসহ স্থানীয় রাজনৈতিক সংগঠনগুলোর সম্প্রীতিমূলক অবস্থানও ধর্মীয় সহাবস্থানের গুরুত্ব তুলে ধরে। একই সঙ্গে সাধারণ মুসলিম জনগণের প্রতিবেশীসুলভ মনোভাব, পারস্পরিক শ্রদ্ধা ও সহযোগিতা এবং পূজা উদ্যাপন কমিটি ও স্বেচ্ছাসেবকদের দায়িত্বশীলতা সামাজিক সৌহার্দ্যের ইতিবাচক দৃষ্টান্ত হিসেবে বিবেচিত হয়।
৩২টি পূজামণ্ডপে ধর্মীয় আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন হওয়ার মধ্য দিয়ে সন্দ্বীপে সব সম্প্রদায়ের মানুষের নিরাপত্তা, ধর্মীয় স্বাধীনতা ও পারস্পরিক মর্যাদার গুরুত্ব নতুন করে সামনে এসেছে। প্রশাসন, রাজনৈতিক সংগঠন ও সাধারণ মানুষের মধ্যে সহযোগিতার এ ধারা অব্যাহত থাকলে ভবিষ্যতেও ধর্মীয় উৎসবগুলো আরও সুন্দর পরিবেশে উদ্যাপন করা সম্ভব হবে।
সম্প্রীতি, সৌহার্দ্য ও সহাবস্থানেই এগিয়ে যাক সন্দ্বীপ—ধর্ম যার যার, নাগরিক অধিকার সবার।

মতামত