দৈনিক পরিবর্তন সংবাদ

দীর্ঘ সংকট কাটিয়ে সচল ন্যাশনাল ব্যাংক, সন্দ্বীপ শাখায় প্রথম দিনেই ২ কোটি টাকার লেনদেন

পুনরায় লেনেদেনে ফিরলো ন্যাশনাল ব্যাংক

পুনরায় লেনেদেনে ফিরলো ন্যাশনাল ব্যাংক
১৫ অক্টোবর ন্যাশনাল ব্যাংক সন্দ্বীপ শাখায় নগদ টাকা উত্তোলন করেছেন ৫৯০ জন গ্রাহক

দীর্ঘদিনের তারল্য সংকট ও খেলাপি ঋণ আদায়ে জটিলতার কারণে কার্যক্রমে স্থবিরতা তৈরি হওয়ার পর পুনরায় লেনদেন শুরু করেছে ন্যাশনাল ব্যাংক পিএলসি। ব্যাংকটির সন্দ্বীপ শাখায় লেনদেন চালু হওয়ায় আমানত উত্তোলন ও জমা দেওয়ার সুযোগ ফিরে পেয়েছেন গ্রাহকরা। তবে সোনালী ব্যাংক থেকে  নগদ অর্থের পর্যাপ্ত সরবরাহ নিশ্চিত না হওয়ায় এখনো সব গ্রাহকের চাহিদা অনুযায়ী লেনদেন পরিচালনা করা সম্ভব হচ্ছে না।
গত ১৫ অক্টোবর থেকে ন্যাশনাল ব্যাংকের সন্দ্বীপ শাখায় সব ধরণের সেবা চালু হয়েছে, এইদিন  ৫৯০ জন গ্রাহককে মোট ১ কোটি ৫৬ লাখ টাকা প্রদান করা হয়েছে। একই দিনে নতুন আমানত হিসেবে জমা পড়েছে ৪৬ লাখ টাকা। অর্থাৎ, ওই দিনের অর্থ প্রদান ও আমানত গ্রহণ মিলিয়ে মোট লেনদেনের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ২ কোটি ২ লাখ টাকা।
ব্যাংক-সংশ্লিষ্ট তথ্য অনুযায়ী, সন্দ্বীপ শাখায় বর্তমানে মোট আমানতের পরিমাণ প্রায় ৪১৫ কোটি টাকা এবং গ্রাহক সংখ্যা প্রায় ৩২ হাজার। প্রথম দিনেই গ্রাহকদের পক্ষ থেকে প্রায় ৩ কোটি টাকা উত্তোলনের আবেদন জমা পড়ে। বিপরীতে ১ কোটি ৫৬ লাখ টাকা প্রদান করা হলে আবেদন ও বিতরণের পরিমাণের মধ্যে প্রায় ১ কোটি ৪৪ লাখ টাকার ব্যবধান তৈরি হয়। তবে এই ব্যবধানের সম্পূর্ণ অর্থ অনিষ্পন্ন আবেদন কি না, তা ব্যাংকের হালনাগাদ হিসাবের মাধ্যমে নিশ্চিত হওয়া প্রয়োজন।

সন্দ্বীপ শাখায় বিপুল পরিমাণ আমানত ও প্রায় ৩২ হাজার গ্রাহকের ব্যাংকিং চাহিদা সামাল দেওয়া এখন শাখাটির জন্য গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। দীর্ঘদিনের স্থবিরতার পর লেনদেন শুরু হওয়ায় গ্রাহকদের মধ্যে নিজেদের জমানো টাকা উত্তোলনের আগ্রহ তৈরি হয়েছে। প্রথম দিনেই প্রায় ৩ কোটি টাকার উত্তোলন আবেদন সেই চাহিদারই প্রতিফলন।
তবে ব্যাংকে মোট আমানতের পরিমাণ এবং শাখায় তাৎক্ষণিকভাবে বিতরণযোগ্য নগদ অর্থ এক বিষয় নয়। ব্যাংকের আমানতের অর্থের একটি অংশ ঋণ, বিনিয়োগ ও অন্যান্য সম্পদে ব্যবহৃত থাকতে পারে। ফলে গ্রাহকদের চাহিদা অনুযায়ী টাকা দিতে নগদ অর্থের পর্যাপ্ত সরবরাহ ও কার্যকর তারল্য ব্যবস্থাপনা প্রয়োজন।
শাখা-সংশ্লিষ্ট তথ্য অনুযায়ী, সোনালী ব্যাংক থেকে প্রয়োজনীয় নগদ অর্থ সরবরাহ না পাওয়ায় ন্যাশনাল ব্যাংকের সন্দ্বীপ শাখা এখনো পুরোপুরিভাবে সব নগদ উত্তোলনের লেনদেন  পরিচালনা করতে পারছে না। ফলে গ্রাহকদের উত্তোলনের চাহিদা থাকলেও নগদ অর্থের প্রাপ্যতা অনুযায়ী অর্থ প্রদান করতে হচ্ছে।
প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী, প্রথম দিনে ৫৯০ জন গ্রাহককে ১ কোটি ৫৬ লাখ টাকা দেওয়া হয়েছে। সে হিসাবে গ্রাহকপ্রতি গড় অর্থ প্রদানের পরিমাণ প্রায় ২৬ হাজার ৪৪১ টাকা। একই দিনে ৪৬ লাখ টাকা নতুন আমানত গ্রহণ করা হয়েছে।
অন্যদিকে, প্রায় ৩ কোটি টাকার উত্তোলন আবেদনের বিপরীতে ১ কোটি ৫৬ লাখ টাকা প্রদান করা হয়েছে, যা আবেদনের মোট অর্থের প্রায় ৫২ শতাংশ। বাকি প্রায় ১ কোটি ৪৪ লাখ টাকা আবেদনের পরিমাণ ও বিতরণ করা অর্থের গাণিতিক ব্যবধান।
দীর্ঘদিনের অনিশ্চয়তার পর লেনদেন পুনরায় শুরু হওয়ায় সন্দ্বীপের আমানতকারীদের কাছে ব্যাংকটির কার্যক্রম স্বাভাবিক হওয়া গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হয়ে উঠেছে। বিশেষ করে ব্যবসা-বাণিজ্য, পারিবারিক ব্যয়, চিকিৎসা ও অন্যান্য প্রয়োজনীয় খরচের জন্য যাঁদের ব্যাংকে জমা রাখা অর্থ প্রয়োজন, তাঁদের কাছে নিয়মিত ও নির্ভরযোগ্য অর্থ উত্তোলনের সুযোগ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
গ্রাহকদের আস্থা ফিরিয়ে আনতে শুধু লেনদেন শুরু করাই নয়, বরং উত্তোলনের আবেদন নিয়মিত নিষ্পত্তি, নগদ অর্থের সরবরাহ নিশ্চিত করা এবং ব্যাংকিং সেবার অগ্রগতি সম্পর্কে স্বচ্ছ তথ্য দেওয়া প্রয়োজন। ব্যাংকের কার্যক্রম পুরোপুরি স্বাভাবিক হলে গ্রাহকদের দৈনন্দিন আর্থিক লেনদেনেও ইতিবাচক প্রভাব পড়বে বলে আশা করা হচ্ছে।
ন্যাশনাল ব্যাংক পিএলসির সন্দ্বীপ শাখার ব্যবস্থাপক সিরাজউদদৌলা কচি এবং অফিসার আবিদুর রহমান মান্না উপস্থিত সংবাদকর্মীদেরকে জানিয়েছেন সোনালী ব্যাংক পিএলসি  থেকে নগদ টাকা প্রাপ্তি সাপেক্ষে খুব শীঘ্রই  সব ধরনের নগদ টাকা লেনদেন সেবা পুরোপুরি পরিচালনা করা সম্ভব হবে এবং গত ১৫ অক্টোবর থেকে ব্যাংকের সকল কার্যক্রম পুরোদমে সচল রয়েছে।
তারা গ্রাহকদের ব্যাংকিং কার্যক্রমে সহযোগিতা করার পাশাপাশি বৈধ ব্যাংকিং চ্যানেলে রেমিট্যান্স পাঠানোর জন্য সবার প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন। তারা আরও জানান, ব্যাংকের অনলাইন ব্যাংকিং ও ক্লিয়ারেন্স কার্যক্রম সহ ব্যাংকের সব ধরনের সেবা ইতিমধ্যে ইতোমধ্যে পুরোপুরি সচল রয়েছে।
ব্যাংকটির কার্যক্রম স্বাভাবিক করতে গ্রাহকসহ সংশ্লিষ্ট সবার সহযোগিতা কামনা করেছেন শাখা ব্যবস্থাপক।
সন্দ্বীপের প্রবাসী পরিবার ও স্থানীয় ব্যবসায়ীদের জন্য ব্যাংকিং সেবা স্বাভাবিক থাকা গুরুত্বপূর্ণ। এ অবস্থায় ব্যাংকটির অনলাইন ব্যাংকিং ও ক্লিয়ারেন্স কার্যক্রম সচল থাকার পাশাপাশি নগদ অর্থ বিতরণও নিয়মিত হওয়া প্রয়োজন, যাতে গ্রাহকরা প্রয়োজনীয় সেবা পেতে পারেন।
দীর্ঘদিনের স্থবিরতা কাটিয়ে ন্যাশনাল ব্যাংকের সন্দ্বীপ শাখায় লেনদেন শুরু হওয়াকে কার্যক্রম স্বাভাবিক করার একটি গুরুত্বপূর্ণ ধাপ হিসেবে দেখা হচ্ছে। তবে ব্যাংকটির সেবা পুরোপুরি স্বাভাবিক হয়েছে কি না, তা নির্ভর করবে গ্রাহকদের উত্তোলনের আবেদন কত দ্রুত নিষ্পত্তি হচ্ছে, নগদ অর্থের সরবরাহ নিয়মিত হচ্ছে কি না এবং ঘোষিত সময় অনুযায়ী সব ধরনের লেনদেন চালু করা সম্ভব হচ্ছে কি না—এসব বিষয়ের ওপর।
সোনালী ব্যাংক থেকে নগদ টাকা প্রাপ্তি সাপেক্ষে পূর্ণাঙ্গ লেনদেন চালুর বিষয়ে শাখা ব্যবস্থাপকের আশাবাদের বাস্তবায়ন এখন সন্দ্বীপের প্রায় ৩২ হাজার গ্রাহকের জন্য গুরুত্বপূর্ণ। গ্রাহকদের প্রত্যাশা, দ্রুত নগদ অর্থের সরবরাহ স্বাভাবিক হবে এবং তাঁরা প্রয়োজন অনুযায়ী নিজেদের আমানত উত্তোলন ও অন্যান্য ব্যাংকিং সেবা নির্বিঘ্নে গ্রহণ করতে পারবেন।

0.0%
0.0%
0.0%
0.0%

মতামত

পুনরায় লেনেদেনে ফিরলো ন্যাশনাল ব্যাংক
0:00 0:00
1.0x
দৈনিক পরিবর্তন সংবাদ

শনিবার, ১৭ অক্টোবর ২০২৬


পুনরায় লেনেদেনে ফিরলো ন্যাশনাল ব্যাংক

প্রকাশের তারিখ : ১৭ অক্টোবর ২০২৬

featured Image

দীর্ঘদিনের তারল্য সংকট ও খেলাপি ঋণ আদায়ে জটিলতার কারণে কার্যক্রমে স্থবিরতা তৈরি হওয়ার পর পুনরায় লেনদেন শুরু করেছে ন্যাশনাল ব্যাংক পিএলসি। ব্যাংকটির সন্দ্বীপ শাখায় লেনদেন চালু হওয়ায় আমানত উত্তোলন ও জমা দেওয়ার সুযোগ ফিরে পেয়েছেন গ্রাহকরা। তবে সোনালী ব্যাংক থেকে  নগদ অর্থের পর্যাপ্ত সরবরাহ নিশ্চিত না হওয়ায় এখনো সব গ্রাহকের চাহিদা অনুযায়ী লেনদেন পরিচালনা করা সম্ভব হচ্ছে না।
গত ১৫ অক্টোবর থেকে ন্যাশনাল ব্যাংকের সন্দ্বীপ শাখায় সব ধরণের সেবা চালু হয়েছে, এইদিন  ৫৯০ জন গ্রাহককে মোট ১ কোটি ৫৬ লাখ টাকা প্রদান করা হয়েছে। একই দিনে নতুন আমানত হিসেবে জমা পড়েছে ৪৬ লাখ টাকা। অর্থাৎ, ওই দিনের অর্থ প্রদান ও আমানত গ্রহণ মিলিয়ে মোট লেনদেনের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ২ কোটি ২ লাখ টাকা।
ব্যাংক-সংশ্লিষ্ট তথ্য অনুযায়ী, সন্দ্বীপ শাখায় বর্তমানে মোট আমানতের পরিমাণ প্রায় ৪১৫ কোটি টাকা এবং গ্রাহক সংখ্যা প্রায় ৩২ হাজার। প্রথম দিনেই গ্রাহকদের পক্ষ থেকে প্রায় ৩ কোটি টাকা উত্তোলনের আবেদন জমা পড়ে। বিপরীতে ১ কোটি ৫৬ লাখ টাকা প্রদান করা হলে আবেদন ও বিতরণের পরিমাণের মধ্যে প্রায় ১ কোটি ৪৪ লাখ টাকার ব্যবধান তৈরি হয়। তবে এই ব্যবধানের সম্পূর্ণ অর্থ অনিষ্পন্ন আবেদন কি না, তা ব্যাংকের হালনাগাদ হিসাবের মাধ্যমে নিশ্চিত হওয়া প্রয়োজন।

সন্দ্বীপ শাখায় বিপুল পরিমাণ আমানত ও প্রায় ৩২ হাজার গ্রাহকের ব্যাংকিং চাহিদা সামাল দেওয়া এখন শাখাটির জন্য গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। দীর্ঘদিনের স্থবিরতার পর লেনদেন শুরু হওয়ায় গ্রাহকদের মধ্যে নিজেদের জমানো টাকা উত্তোলনের আগ্রহ তৈরি হয়েছে। প্রথম দিনেই প্রায় ৩ কোটি টাকার উত্তোলন আবেদন সেই চাহিদারই প্রতিফলন।
তবে ব্যাংকে মোট আমানতের পরিমাণ এবং শাখায় তাৎক্ষণিকভাবে বিতরণযোগ্য নগদ অর্থ এক বিষয় নয়। ব্যাংকের আমানতের অর্থের একটি অংশ ঋণ, বিনিয়োগ ও অন্যান্য সম্পদে ব্যবহৃত থাকতে পারে। ফলে গ্রাহকদের চাহিদা অনুযায়ী টাকা দিতে নগদ অর্থের পর্যাপ্ত সরবরাহ ও কার্যকর তারল্য ব্যবস্থাপনা প্রয়োজন।
শাখা-সংশ্লিষ্ট তথ্য অনুযায়ী, সোনালী ব্যাংক থেকে প্রয়োজনীয় নগদ অর্থ সরবরাহ না পাওয়ায় ন্যাশনাল ব্যাংকের সন্দ্বীপ শাখা এখনো পুরোপুরিভাবে সব নগদ উত্তোলনের লেনদেন  পরিচালনা করতে পারছে না। ফলে গ্রাহকদের উত্তোলনের চাহিদা থাকলেও নগদ অর্থের প্রাপ্যতা অনুযায়ী অর্থ প্রদান করতে হচ্ছে।
প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী, প্রথম দিনে ৫৯০ জন গ্রাহককে ১ কোটি ৫৬ লাখ টাকা দেওয়া হয়েছে। সে হিসাবে গ্রাহকপ্রতি গড় অর্থ প্রদানের পরিমাণ প্রায় ২৬ হাজার ৪৪১ টাকা। একই দিনে ৪৬ লাখ টাকা নতুন আমানত গ্রহণ করা হয়েছে।
অন্যদিকে, প্রায় ৩ কোটি টাকার উত্তোলন আবেদনের বিপরীতে ১ কোটি ৫৬ লাখ টাকা প্রদান করা হয়েছে, যা আবেদনের মোট অর্থের প্রায় ৫২ শতাংশ। বাকি প্রায় ১ কোটি ৪৪ লাখ টাকা আবেদনের পরিমাণ ও বিতরণ করা অর্থের গাণিতিক ব্যবধান।
দীর্ঘদিনের অনিশ্চয়তার পর লেনদেন পুনরায় শুরু হওয়ায় সন্দ্বীপের আমানতকারীদের কাছে ব্যাংকটির কার্যক্রম স্বাভাবিক হওয়া গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হয়ে উঠেছে। বিশেষ করে ব্যবসা-বাণিজ্য, পারিবারিক ব্যয়, চিকিৎসা ও অন্যান্য প্রয়োজনীয় খরচের জন্য যাঁদের ব্যাংকে জমা রাখা অর্থ প্রয়োজন, তাঁদের কাছে নিয়মিত ও নির্ভরযোগ্য অর্থ উত্তোলনের সুযোগ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
গ্রাহকদের আস্থা ফিরিয়ে আনতে শুধু লেনদেন শুরু করাই নয়, বরং উত্তোলনের আবেদন নিয়মিত নিষ্পত্তি, নগদ অর্থের সরবরাহ নিশ্চিত করা এবং ব্যাংকিং সেবার অগ্রগতি সম্পর্কে স্বচ্ছ তথ্য দেওয়া প্রয়োজন। ব্যাংকের কার্যক্রম পুরোপুরি স্বাভাবিক হলে গ্রাহকদের দৈনন্দিন আর্থিক লেনদেনেও ইতিবাচক প্রভাব পড়বে বলে আশা করা হচ্ছে।
ন্যাশনাল ব্যাংক পিএলসির সন্দ্বীপ শাখার ব্যবস্থাপক সিরাজউদদৌলা কচি এবং অফিসার আবিদুর রহমান মান্না উপস্থিত সংবাদকর্মীদেরকে জানিয়েছেন সোনালী ব্যাংক পিএলসি  থেকে নগদ টাকা প্রাপ্তি সাপেক্ষে খুব শীঘ্রই  সব ধরনের নগদ টাকা লেনদেন সেবা পুরোপুরি পরিচালনা করা সম্ভব হবে এবং গত ১৫ অক্টোবর থেকে ব্যাংকের সকল কার্যক্রম পুরোদমে সচল রয়েছে।
তারা গ্রাহকদের ব্যাংকিং কার্যক্রমে সহযোগিতা করার পাশাপাশি বৈধ ব্যাংকিং চ্যানেলে রেমিট্যান্স পাঠানোর জন্য সবার প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন। তারা আরও জানান, ব্যাংকের অনলাইন ব্যাংকিং ও ক্লিয়ারেন্স কার্যক্রম সহ ব্যাংকের সব ধরনের সেবা ইতিমধ্যে ইতোমধ্যে পুরোপুরি সচল রয়েছে।
ব্যাংকটির কার্যক্রম স্বাভাবিক করতে গ্রাহকসহ সংশ্লিষ্ট সবার সহযোগিতা কামনা করেছেন শাখা ব্যবস্থাপক।
সন্দ্বীপের প্রবাসী পরিবার ও স্থানীয় ব্যবসায়ীদের জন্য ব্যাংকিং সেবা স্বাভাবিক থাকা গুরুত্বপূর্ণ। এ অবস্থায় ব্যাংকটির অনলাইন ব্যাংকিং ও ক্লিয়ারেন্স কার্যক্রম সচল থাকার পাশাপাশি নগদ অর্থ বিতরণও নিয়মিত হওয়া প্রয়োজন, যাতে গ্রাহকরা প্রয়োজনীয় সেবা পেতে পারেন।
দীর্ঘদিনের স্থবিরতা কাটিয়ে ন্যাশনাল ব্যাংকের সন্দ্বীপ শাখায় লেনদেন শুরু হওয়াকে কার্যক্রম স্বাভাবিক করার একটি গুরুত্বপূর্ণ ধাপ হিসেবে দেখা হচ্ছে। তবে ব্যাংকটির সেবা পুরোপুরি স্বাভাবিক হয়েছে কি না, তা নির্ভর করবে গ্রাহকদের উত্তোলনের আবেদন কত দ্রুত নিষ্পত্তি হচ্ছে, নগদ অর্থের সরবরাহ নিয়মিত হচ্ছে কি না এবং ঘোষিত সময় অনুযায়ী সব ধরনের লেনদেন চালু করা সম্ভব হচ্ছে কি না—এসব বিষয়ের ওপর।
সোনালী ব্যাংক থেকে নগদ টাকা প্রাপ্তি সাপেক্ষে পূর্ণাঙ্গ লেনদেন চালুর বিষয়ে শাখা ব্যবস্থাপকের আশাবাদের বাস্তবায়ন এখন সন্দ্বীপের প্রায় ৩২ হাজার গ্রাহকের জন্য গুরুত্বপূর্ণ। গ্রাহকদের প্রত্যাশা, দ্রুত নগদ অর্থের সরবরাহ স্বাভাবিক হবে এবং তাঁরা প্রয়োজন অনুযায়ী নিজেদের আমানত উত্তোলন ও অন্যান্য ব্যাংকিং সেবা নির্বিঘ্নে গ্রহণ করতে পারবেন।


দৈনিক পরিবর্তন সংবাদ

উপদেষ্টা সম্পাদক: গোলাম আকবর খন্দকার (সাবেক এমপি)
ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক: লেঃ কর্নেল এ কে এম রশিদুন্নবী,পিএসসি ( অবঃ)
সম্পাদক ও প্রকাশক: মোঃ শাহাদাৎ হোসেন

কপিরাইট © ২০২৬ । সর্বস্ব সংরক্ষিত