গত শুক্রবার (৩০ অক্টোবর) নির্বাচনের তফসিল ঘোষণার পর থেকেই চা বাগানগুলোতে নতুন নেতৃত্ব নির্বাচন নিয়ে আলোচনা শুরু হয়েছে। দীর্ঘদিন পর নির্বাচন আয়োজনের উদ্যোগকে ইতিবাচকভাবে দেখছেন শ্রমিকেরা।
সর্বশেষ ২০১৮ সালের ২৪ জুন বাংলাদেশ চা শ্রমিক ইউনিয়নের নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়েছিল। সংগঠনটির গঠনতন্ত্র অনুযায়ী, প্রতি তিন বছর পরপর নির্বাচন হওয়ার কথা থাকলেও বিভিন্ন জটিলতায় ২০২১ ও ২০২৪ সালের নির্ধারিত নির্বাচন আয়োজন করা সম্ভব হয়নি। ফলে দীর্ঘ সময় ধরে পুরোনো নেতৃত্বের অধীনেই পরিচালিত হয়েছে সংগঠনের কার্যক্রম। এতে সাংগঠনিক কার্যক্রমের পাশাপাশি শ্রমিকদের দাবি-দাওয়া বাস্তবায়ন নিয়েও প্রশ্ন তৈরি হয়েছে।
মনোনয়ন ও প্রার্থী তালিকার সময়সূচি
ঘোষিত তফসিল অনুযায়ী, আগামী ৫ ও ৬ নভেম্বর মনোনয়নপত্র বিতরণ করা হবে। ৭ থেকে ৯ নভেম্বর পর্যন্ত মনোনয়নপত্র জমা নেওয়া হবে। ১০ ও ১১ নভেম্বর মনোনয়নপত্র যাচাই-বাছাই শেষে ১১ নভেম্বর প্রাথমিক প্রার্থী তালিকা প্রকাশ করা হবে।
১২ নভেম্বর মনোনয়নপত্রের ওপর আপিল গ্রহণ ও শুনানি অনুষ্ঠিত হবে। ১৩ নভেম্বর প্রার্থিতা প্রত্যাহারের শেষ দিন। পরদিন ১৪ নভেম্বর চূড়ান্ত প্রার্থী তালিকা প্রকাশ করা হবে। একই দিন প্রতীক বরাদ্দ শুরু হয়ে চলবে ১৫ নভেম্বর পর্যন্ত।
২৮ নভেম্বর একযোগে ভোটগ্রহণ
তফসিল অনুযায়ী, ২৮ নভেম্বর শনিবার সকাল ৮টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত বিরতিহীনভাবে ভোটগ্রহণ চলবে। নির্বাচনে বাগান পর্যায়ের পঞ্চায়েত কমিটির প্রাথমিক কার্যকরী পরিষদ, ভ্যালি কার্যকরী পরিষদ এবং কেন্দ্রীয় কার্যকরী পরিষদের বিভিন্ন পদে ভোট অনুষ্ঠিত হবে। এর মাধ্যমে ইউনিয়নের বিভিন্ন স্তরে নতুন নেতৃত্ব নির্বাচিত হবেন।
বাংলাদেশ চা শ্রমিক ইউনিয়নের অর্থ সম্পাদক পরেশ কালিন্দী দৈনিক আগামীর সময়কে বলেন, দীর্ঘদিন ধরে তারা ইউনিয়নের নির্বাচন আয়োজনের দাবি জানিয়ে আসছেন। অবশেষে নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা করায় সরকারের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছেন তারা।
পরিবর্তন সংবাদ/এসআর

সোমবার, ০২ নভেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০১ নভেম্বর ২০২৬
গত শুক্রবার (৩০ অক্টোবর) নির্বাচনের তফসিল ঘোষণার পর থেকেই চা বাগানগুলোতে নতুন নেতৃত্ব নির্বাচন নিয়ে আলোচনা শুরু হয়েছে। দীর্ঘদিন পর নির্বাচন আয়োজনের উদ্যোগকে ইতিবাচকভাবে দেখছেন শ্রমিকেরা।
সর্বশেষ ২০১৮ সালের ২৪ জুন বাংলাদেশ চা শ্রমিক ইউনিয়নের নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়েছিল। সংগঠনটির গঠনতন্ত্র অনুযায়ী, প্রতি তিন বছর পরপর নির্বাচন হওয়ার কথা থাকলেও বিভিন্ন জটিলতায় ২০২১ ও ২০২৪ সালের নির্ধারিত নির্বাচন আয়োজন করা সম্ভব হয়নি। ফলে দীর্ঘ সময় ধরে পুরোনো নেতৃত্বের অধীনেই পরিচালিত হয়েছে সংগঠনের কার্যক্রম। এতে সাংগঠনিক কার্যক্রমের পাশাপাশি শ্রমিকদের দাবি-দাওয়া বাস্তবায়ন নিয়েও প্রশ্ন তৈরি হয়েছে।
মনোনয়ন ও প্রার্থী তালিকার সময়সূচি
ঘোষিত তফসিল অনুযায়ী, আগামী ৫ ও ৬ নভেম্বর মনোনয়নপত্র বিতরণ করা হবে। ৭ থেকে ৯ নভেম্বর পর্যন্ত মনোনয়নপত্র জমা নেওয়া হবে। ১০ ও ১১ নভেম্বর মনোনয়নপত্র যাচাই-বাছাই শেষে ১১ নভেম্বর প্রাথমিক প্রার্থী তালিকা প্রকাশ করা হবে।
১২ নভেম্বর মনোনয়নপত্রের ওপর আপিল গ্রহণ ও শুনানি অনুষ্ঠিত হবে। ১৩ নভেম্বর প্রার্থিতা প্রত্যাহারের শেষ দিন। পরদিন ১৪ নভেম্বর চূড়ান্ত প্রার্থী তালিকা প্রকাশ করা হবে। একই দিন প্রতীক বরাদ্দ শুরু হয়ে চলবে ১৫ নভেম্বর পর্যন্ত।
২৮ নভেম্বর একযোগে ভোটগ্রহণ
তফসিল অনুযায়ী, ২৮ নভেম্বর শনিবার সকাল ৮টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত বিরতিহীনভাবে ভোটগ্রহণ চলবে। নির্বাচনে বাগান পর্যায়ের পঞ্চায়েত কমিটির প্রাথমিক কার্যকরী পরিষদ, ভ্যালি কার্যকরী পরিষদ এবং কেন্দ্রীয় কার্যকরী পরিষদের বিভিন্ন পদে ভোট অনুষ্ঠিত হবে। এর মাধ্যমে ইউনিয়নের বিভিন্ন স্তরে নতুন নেতৃত্ব নির্বাচিত হবেন।
বাংলাদেশ চা শ্রমিক ইউনিয়নের অর্থ সম্পাদক পরেশ কালিন্দী দৈনিক আগামীর সময়কে বলেন, দীর্ঘদিন ধরে তারা ইউনিয়নের নির্বাচন আয়োজনের দাবি জানিয়ে আসছেন। অবশেষে নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা করায় সরকারের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছেন তারা।
পরিবর্তন সংবাদ/এসআর

মতামত