ঢাকার শরৎকাল শুরু হয় বিজ্ঞাপন ও পত্রিকার আগমনী বার্তা দ্বারা। দুর্গা পুজোর আভাস দেয় শরৎকাল। পুজো পুজো গন্ধ নিয়ে আসা শরৎকাল যেন অর্থনীতিরই একটি অংশ। শরৎ এর প্রারম্ভেই শাঁখারিবাজারের কারিগরদের হাতের জোলুস দেখানোর সময় শুরু হয়। ঢাকের কাঠিতে হাত পড়তেই পুরো ঢাকা মেতে ওঠে পুজোর আলোয়। পুজো যেন নতুন গানের ছন্দ নিয়ে আসে। পাশাপাশি উৎসবের অর্থনীতির আগাম বার্তা নিয়ে আসে।শাঁখারিবাজারের সরু গলিতে প্রতিমার কাঠামো দেওয়া কর্মচারীদের একমাত্র উদ্দেশ্য থাকে প্রতিমা কত বেশি দামে বিক্রি করতে পারবে। প্রতিমা বানানোর ক্ষেত্রে ব্যবহৃত মাটি নিয়েও দরকষাকষি হয়। প্রতিমা যত ভালো মাটি দিয়ে ও বড় বানানো হবে, সেই প্রতিমার মূল্য বেশি হয়। প্রতিমা ব্যবসায়ীদের অর্থনৈতিক চাহিদা পূরণ করার এটিই একটি পন্থা। ঢাকেশ্বরী মন্দিরের পাশের রাস্তায় যখন বাঁশের মাচা উঠতে শুরু করে, তখনই বোঝা যায় এ যেন এক উৎসবের অর্থনীতি।পুজোর অর্থনৈতিক হিসাব অর্থনীতির খাতায় ওঠে না কারণ এটি হলো অন্যতম ধর্মীয় উৎসব।এখানে ধর্ম প্রেমীরা তাদের ইচ্ছে পূরণের লক্ষ্যে খরচ করে। পুজোর ব্যবহৃত সকল জিনিসপত্রের হিসাব কেউ ঠিকঠাকভাবে রাখে না। মৃৎশিল্পের খরচ, ঢাকিদের অপেক্ষার ও সঞ্চয়ের অবসান ঘটে দুর্গাপুজোর মাধ্যমে। শরৎ এর পাশাপাশি তাদেরও নতুন খাতা খোলার দিন শুরু হয়। পুরোহিত, ফুল ব্যবসায়ী ও পুজোর উপকরণের ব্যবসায়ীরা অপেক্ষা করে থাকে তাদের পণ্যের অধিক বিক্রির আশায়। এটি তাদের জীবনযাপনের অধিকাংশ খরচ ও সঞ্চয়ের মাস। বেশি অর্থের জন্য মিষ্টির কারিগর, প্যান্ডেলের মিস্ত্রি, আলোকসজ্জার কর্মী, পোশাক বিক্রেতা এবং অস্থায়ী খাবারের দোকানের পরিমাণও বৃদ্ধি পেতে থাকে।পুজোর এ অর্থনৈতিক বাজারে বিভিন্ন জনগোষ্ঠীর মানুষের আগমন দেখা যায়। তাদের আয় আসে এই কয়েকদিনের উপর ভর করেই। অনেক ব্যবসায়ীদের বছরের বাকি সময়টা কাটে সঞ্চয় আর ধারে। সবচেয়ে লক্ষণীয় হলো, এই অর্থনীতি ধর্মীয় সীমারেখা মানে না। যিনি প্রতিমার রং করেন, যিনি মণ্ডপের বাঁশ জোগান, যিনি পথের ধারে ঝালমুড়ি বা চটপটি বিক্রি করেন, তাদের সবার ধর্মপরিচয় এক নয়। উৎসবের এই বাজার তাই ঢাকার সহাবস্থানের একটি নীরব দলিল।বাংলাদেশি বাজারে প্রয়োজনীয় জিনিসপত্রের দাম চাহিদা অনুযায়ী বাড়িয়ে দেয়। ব্যবসায়ীরা এ পথ ব্যবহার করে ক্রেতাদের থেকে প্রচুর টাকা হাতিয়ে নেয়, বিশেষ করে পুজোর সামগ্রী সমূহ থেকে। কিছু অসাধু ব্যবসায়ীদের কারণে একটি ধর্মীয় অনুষ্ঠান অর্থনীতিতে পরিণত হয়।পুজোর অন্যতম একটি সমস্যা হলো যানজট।পুজোর ছুটিতে প্যান্ডেলে গিয়ে ঠাকুর দেখার রীতি রয়েছে। সকলে একত্রে বেরিয়ে পড়লে রাস্তায় শুরু হয় ট্রাফিক। ঢাকার পুজোর কেন্দ্রগুলোর অনেকটাই পুরান ঢাকা ও তার আশেপাশে হয়। ঢাকেশ্বরী মন্দির ও শাঁখারীবাজারে অনেক বড় করে পুজোর আয়োজন করা হয়। পুরান ঢাকার রাস্তাসমূহ অনেক আগে নির্মাণ করা হয়েছে। তখনকার সময়ে গরুর গাড়ি ও হাঁটাচলার সুবিধার জন্য সরু রাস্তা করা হয়েছিল। বর্তমানে রিকশা, সিএনজি ও ব্যক্তিগত গাড়ি নিয়ে যেতে এই রাস্তায় ভোগান্তির শিকার হতে হয়। এছাড়াও পুরান ঢাকার মানুষের চলাচল ও যোগাযোগের মাধ্যম এসব সরু রাস্তা।পুরান ঢাকায় অনেক দর্শনীয় স্থান রয়েছে। পুজোর ছুটিতে হিন্দু ধর্মাবলম্বী মানুষ ছাড়াও বিভিন্ন দর্শনার্থীর আনাগোনা দেখা যায়। অনেক দর্শনার্থী ঢাকার বাইরে থেকে আসে ঢাকার পুজো দেখার জন্য। ঢাকেশ্বরী মন্দির যেহেতু অনেক পুরোনো মন্দির, তাই সকলের মধ্যেই একটি ইচ্ছা থাকে তারা ঢাকায় পুজো দেখতে যাবে। একত্রে সকলের উপস্থিতির ফলে তৈরি হয় যানজট সমস্যা।আরেকটি জটিলতার বিষয় হলো সকলের একত্রে উপস্থিত হওয়া। পুজোর রাতে মানুষ আসে শহরের নানা প্রান্ত থেকে। পুজোর ভিড়ে দর্শনার্থীরা প্রিয়জনদের সাথে, গাড়ি নিয়ে এবং ধীরে ধীরে হাঁটে। আবার বিভিন্ন স্থানে দাঁড়িয়ে তারা ছবি তোলে। তখন রাস্তা আর পরিবহন চলাচলের উপযুক্ত পরিবেশ থাকে না, তৈরি হয় এক উৎসবমুখর পরিবেশ। এ উৎসবের চত্বরে জীবিকার তাগিদ ও আনন্দের মাঝখানে সৃষ্টি হয় ভোগান্তির। এতে দোষ উৎসবের নয়, দোষ পরিকল্পনার অভাবের।বাংলাদেশে বড় বড় উৎসবের পূর্বে সরকারের পক্ষ থেকে সুনির্দিষ্ট পরিকল্পনা ও নির্দিষ্ট স্থানের ব্যবস্থা না করার ফলে রাস্তায় যানজট সৃষ্টি হয়। ঈদের আগে ঢাকার ট্রাফিক ব্যবস্থাপনা নিয়ে আমরা বিস্তর আলোচনা করি। অতিরিক্ত পুলিশ, বিকল্প রুট, বিশেষ বাস ব্যবস্থাপনা, এ সবই থাকে। পুজোর ক্ষেত্রে এই প্রস্তুতি প্রায়ই নয়, খণ্ডিত। কিছুটা নিরাপত্তা ব্যবস্থার উপস্থিতি দেখা গেলেও পরিবহন পরিকল্পনা প্রায় অনুপস্থিত। বড় শহরগুলোর উৎসবকে সাধারণ একটি উৎসব হিসেবে বিবেচনা করলে এবং স্থানীয় উৎসব মনে করলে সকলের ভোগান্তি হয়।যারা পুজো দেখতে আসে, আশেপাশের স্থানীয় লোকজন এবং ব্যবসায়ীদের পুজোর সময় সকল ভোগান্তি দূরীকরণে সুষ্ঠু পথের পরিকল্পনা করতে হবে। পুজোর এলাকার মধ্যে বিকল্প রাস্তার ব্যবস্থা করতে হবে। হাঁটার জন্য, ভারী যানবাহন ও ব্যক্তিগত যানবাহনের জন্য আলাদা রাস্তার ব্যবস্থা করতে হবে। অস্থায়ী ব্যবসায়ীদের জন্য সুনির্দিষ্ট জায়গার ব্যবস্থা করতে হবে, যাতে উচ্ছেদ বা চাঁদাবাজির ভয় না থাকে।সকল উৎসবই আসে আনন্দমুখর পরিবেশ নিয়ে। রাষ্ট্রের অব্যবস্থার ফলে যেন এ উৎসবমুখর প্রকৃতি মলিন হয়ে না যায়। পুজোর আলোয় ঢাকা শহর সুন্দর হয়, সেই আলো যেন অব্যবস্থাপনার ভিড়ে ঢেকে না যায়, সে দিকে আমাদের ও সরকারের দৃষ্টি রাখতে হবে। সরকারের ও সকলের সচেতনতাই এবারের শরৎ হোক সবার।
লেখক:
নাম:জান্নাতুল ফেরদৌস আনান
প্রতিষ্ঠান :ইডেন মহিলা কলেজ

সোমবার, ২৬ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৬ অক্টোবর ২০২৬
ঢাকার শরৎকাল শুরু হয় বিজ্ঞাপন ও পত্রিকার আগমনী বার্তা দ্বারা। দুর্গা পুজোর আভাস দেয় শরৎকাল। পুজো পুজো গন্ধ নিয়ে আসা শরৎকাল যেন অর্থনীতিরই একটি অংশ। শরৎ এর প্রারম্ভেই শাঁখারিবাজারের কারিগরদের হাতের জোলুস দেখানোর সময় শুরু হয়। ঢাকের কাঠিতে হাত পড়তেই পুরো ঢাকা মেতে ওঠে পুজোর আলোয়। পুজো যেন নতুন গানের ছন্দ নিয়ে আসে। পাশাপাশি উৎসবের অর্থনীতির আগাম বার্তা নিয়ে আসে।শাঁখারিবাজারের সরু গলিতে প্রতিমার কাঠামো দেওয়া কর্মচারীদের একমাত্র উদ্দেশ্য থাকে প্রতিমা কত বেশি দামে বিক্রি করতে পারবে। প্রতিমা বানানোর ক্ষেত্রে ব্যবহৃত মাটি নিয়েও দরকষাকষি হয়। প্রতিমা যত ভালো মাটি দিয়ে ও বড় বানানো হবে, সেই প্রতিমার মূল্য বেশি হয়। প্রতিমা ব্যবসায়ীদের অর্থনৈতিক চাহিদা পূরণ করার এটিই একটি পন্থা। ঢাকেশ্বরী মন্দিরের পাশের রাস্তায় যখন বাঁশের মাচা উঠতে শুরু করে, তখনই বোঝা যায় এ যেন এক উৎসবের অর্থনীতি।পুজোর অর্থনৈতিক হিসাব অর্থনীতির খাতায় ওঠে না কারণ এটি হলো অন্যতম ধর্মীয় উৎসব।এখানে ধর্ম প্রেমীরা তাদের ইচ্ছে পূরণের লক্ষ্যে খরচ করে। পুজোর ব্যবহৃত সকল জিনিসপত্রের হিসাব কেউ ঠিকঠাকভাবে রাখে না। মৃৎশিল্পের খরচ, ঢাকিদের অপেক্ষার ও সঞ্চয়ের অবসান ঘটে দুর্গাপুজোর মাধ্যমে। শরৎ এর পাশাপাশি তাদেরও নতুন খাতা খোলার দিন শুরু হয়। পুরোহিত, ফুল ব্যবসায়ী ও পুজোর উপকরণের ব্যবসায়ীরা অপেক্ষা করে থাকে তাদের পণ্যের অধিক বিক্রির আশায়। এটি তাদের জীবনযাপনের অধিকাংশ খরচ ও সঞ্চয়ের মাস। বেশি অর্থের জন্য মিষ্টির কারিগর, প্যান্ডেলের মিস্ত্রি, আলোকসজ্জার কর্মী, পোশাক বিক্রেতা এবং অস্থায়ী খাবারের দোকানের পরিমাণও বৃদ্ধি পেতে থাকে।পুজোর এ অর্থনৈতিক বাজারে বিভিন্ন জনগোষ্ঠীর মানুষের আগমন দেখা যায়। তাদের আয় আসে এই কয়েকদিনের উপর ভর করেই। অনেক ব্যবসায়ীদের বছরের বাকি সময়টা কাটে সঞ্চয় আর ধারে। সবচেয়ে লক্ষণীয় হলো, এই অর্থনীতি ধর্মীয় সীমারেখা মানে না। যিনি প্রতিমার রং করেন, যিনি মণ্ডপের বাঁশ জোগান, যিনি পথের ধারে ঝালমুড়ি বা চটপটি বিক্রি করেন, তাদের সবার ধর্মপরিচয় এক নয়। উৎসবের এই বাজার তাই ঢাকার সহাবস্থানের একটি নীরব দলিল।বাংলাদেশি বাজারে প্রয়োজনীয় জিনিসপত্রের দাম চাহিদা অনুযায়ী বাড়িয়ে দেয়। ব্যবসায়ীরা এ পথ ব্যবহার করে ক্রেতাদের থেকে প্রচুর টাকা হাতিয়ে নেয়, বিশেষ করে পুজোর সামগ্রী সমূহ থেকে। কিছু অসাধু ব্যবসায়ীদের কারণে একটি ধর্মীয় অনুষ্ঠান অর্থনীতিতে পরিণত হয়।পুজোর অন্যতম একটি সমস্যা হলো যানজট।পুজোর ছুটিতে প্যান্ডেলে গিয়ে ঠাকুর দেখার রীতি রয়েছে। সকলে একত্রে বেরিয়ে পড়লে রাস্তায় শুরু হয় ট্রাফিক। ঢাকার পুজোর কেন্দ্রগুলোর অনেকটাই পুরান ঢাকা ও তার আশেপাশে হয়। ঢাকেশ্বরী মন্দির ও শাঁখারীবাজারে অনেক বড় করে পুজোর আয়োজন করা হয়। পুরান ঢাকার রাস্তাসমূহ অনেক আগে নির্মাণ করা হয়েছে। তখনকার সময়ে গরুর গাড়ি ও হাঁটাচলার সুবিধার জন্য সরু রাস্তা করা হয়েছিল। বর্তমানে রিকশা, সিএনজি ও ব্যক্তিগত গাড়ি নিয়ে যেতে এই রাস্তায় ভোগান্তির শিকার হতে হয়। এছাড়াও পুরান ঢাকার মানুষের চলাচল ও যোগাযোগের মাধ্যম এসব সরু রাস্তা।পুরান ঢাকায় অনেক দর্শনীয় স্থান রয়েছে। পুজোর ছুটিতে হিন্দু ধর্মাবলম্বী মানুষ ছাড়াও বিভিন্ন দর্শনার্থীর আনাগোনা দেখা যায়। অনেক দর্শনার্থী ঢাকার বাইরে থেকে আসে ঢাকার পুজো দেখার জন্য। ঢাকেশ্বরী মন্দির যেহেতু অনেক পুরোনো মন্দির, তাই সকলের মধ্যেই একটি ইচ্ছা থাকে তারা ঢাকায় পুজো দেখতে যাবে। একত্রে সকলের উপস্থিতির ফলে তৈরি হয় যানজট সমস্যা।আরেকটি জটিলতার বিষয় হলো সকলের একত্রে উপস্থিত হওয়া। পুজোর রাতে মানুষ আসে শহরের নানা প্রান্ত থেকে। পুজোর ভিড়ে দর্শনার্থীরা প্রিয়জনদের সাথে, গাড়ি নিয়ে এবং ধীরে ধীরে হাঁটে। আবার বিভিন্ন স্থানে দাঁড়িয়ে তারা ছবি তোলে। তখন রাস্তা আর পরিবহন চলাচলের উপযুক্ত পরিবেশ থাকে না, তৈরি হয় এক উৎসবমুখর পরিবেশ। এ উৎসবের চত্বরে জীবিকার তাগিদ ও আনন্দের মাঝখানে সৃষ্টি হয় ভোগান্তির। এতে দোষ উৎসবের নয়, দোষ পরিকল্পনার অভাবের।বাংলাদেশে বড় বড় উৎসবের পূর্বে সরকারের পক্ষ থেকে সুনির্দিষ্ট পরিকল্পনা ও নির্দিষ্ট স্থানের ব্যবস্থা না করার ফলে রাস্তায় যানজট সৃষ্টি হয়। ঈদের আগে ঢাকার ট্রাফিক ব্যবস্থাপনা নিয়ে আমরা বিস্তর আলোচনা করি। অতিরিক্ত পুলিশ, বিকল্প রুট, বিশেষ বাস ব্যবস্থাপনা, এ সবই থাকে। পুজোর ক্ষেত্রে এই প্রস্তুতি প্রায়ই নয়, খণ্ডিত। কিছুটা নিরাপত্তা ব্যবস্থার উপস্থিতি দেখা গেলেও পরিবহন পরিকল্পনা প্রায় অনুপস্থিত। বড় শহরগুলোর উৎসবকে সাধারণ একটি উৎসব হিসেবে বিবেচনা করলে এবং স্থানীয় উৎসব মনে করলে সকলের ভোগান্তি হয়।যারা পুজো দেখতে আসে, আশেপাশের স্থানীয় লোকজন এবং ব্যবসায়ীদের পুজোর সময় সকল ভোগান্তি দূরীকরণে সুষ্ঠু পথের পরিকল্পনা করতে হবে। পুজোর এলাকার মধ্যে বিকল্প রাস্তার ব্যবস্থা করতে হবে। হাঁটার জন্য, ভারী যানবাহন ও ব্যক্তিগত যানবাহনের জন্য আলাদা রাস্তার ব্যবস্থা করতে হবে। অস্থায়ী ব্যবসায়ীদের জন্য সুনির্দিষ্ট জায়গার ব্যবস্থা করতে হবে, যাতে উচ্ছেদ বা চাঁদাবাজির ভয় না থাকে।সকল উৎসবই আসে আনন্দমুখর পরিবেশ নিয়ে। রাষ্ট্রের অব্যবস্থার ফলে যেন এ উৎসবমুখর প্রকৃতি মলিন হয়ে না যায়। পুজোর আলোয় ঢাকা শহর সুন্দর হয়, সেই আলো যেন অব্যবস্থাপনার ভিড়ে ঢেকে না যায়, সে দিকে আমাদের ও সরকারের দৃষ্টি রাখতে হবে। সরকারের ও সকলের সচেতনতাই এবারের শরৎ হোক সবার।
লেখক:
নাম:জান্নাতুল ফেরদৌস আনান
প্রতিষ্ঠান :ইডেন মহিলা কলেজ

মতামত