১০ থেকে ৩০ কাউন্টের কটন বা তুলার সুতা আমদানিতে বন্ড সুবিধা প্রত্যাহারের সিদ্ধান্ত বাতিল করতে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সহায়তা চেয়েছেন তৈরি পোশাকশিল্পের মালিকেরা। তাঁদের দাবি, এ সিদ্ধান্তের ফলে রপ্তানিমুখী পোশাকশিল্পে কাঁচামাল সরবরাহে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে, বেড়েছে উৎপাদন ব্যয় এবং আন্তর্জাতিক তুলার সুতা আমদানিতে বন্ড সুবিধা প্রত্যাহারের সিদ্ধান্ত বাতিল করতে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সহায়তা চেয়েছেন তৈরি পোশাকশিল্পের মালিকেরা। তাঁদের দাবি, এ সিদ্ধান্তের ফলে রপ্তানিমুখী পোশাকশিল্পে কাঁচামাল সরবরাহে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে, বেড়েছে উৎপাদন ব্যয় এবং আন্তর্জাতিক বাজারে বাংলাদেশের প্রতিযোগিতা সক্ষমতা হুমকির মুখে পড়েছে।
এ পরিস্থিতিতে বিদেশি ক্রেতারা বাংলাদেশের পরিবর্তে ভারত ও মিসরের মতো দেশে পোশাকের ক্রয়াদেশ সরিয়ে নিচ্ছেন বলেও দাবি করেছেন শিল্পমালিকেরা।
বন্ড সুবিধা বহালের দাবি বিজিএমইএ ও বিকেএমইএর
গত বৃহস্পতিবার, ১৫ অক্টোবর, প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে পাঠানো এক যৌথ চিঠিতে সুতা আমদানিতে বন্ড সুবিধা প্রত্যাহারের আদেশ বাতিলের অনুরোধ জানিয়েছে তৈরি পোশাকশিল্প মালিকদের সংগঠন বিজিএমইএ এবং নিট পোশাকশিল্প মালিকদের সংগঠন বিকেএমইএ।
চিঠিতে স্বাক্ষর করেন বিজিএমইএর সভাপতি মাহমুদ হাসান খান এবং বিকেএমইএর সভাপতি মোহাম্মদ হাতেম। তাঁরা অবিলম্বে এবং নিঃশর্তভাবে জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) জারি করা আদেশ প্রত্যাহারের দাবি জানিয়েছেন।
নীতির ঘন ঘন পরিবর্তনে ক্রেতাদের আস্থা কমছে
চিঠিতে পোশাকশিল্পের নীতিগত সিদ্ধান্তে ঘন ঘন পরিবর্তনের বিষয়টি তুলে ধরেছেন দুই সংগঠনের সভাপতি। তাঁদের মতে, গত বছর স্থলপথে সুতা আমদানি বন্ধের উদ্যোগ, আমদানি করা সুতার ওপর সেফগার্ড ডিউটি আরোপের তৎপরতা এবং ২০২৬–২৯ সালের আমদানি নীতিতে নিট কাপড় আমদানি নিষিদ্ধ করার পর সেই সিদ্ধান্ত প্রত্যাহারের মতো ঘটনাগুলো আন্তর্জাতিক ক্রেতাদের মধ্যে উদ্বেগ বাড়িয়েছে।
সংগঠন দুটির নেতারা বলছেন, ব্যবসায়িক নীতির ধারাবাহিকতা নিয়ে অনিশ্চয়তা তৈরি হলে বিদেশি ক্রেতারা বিকল্প দেশ থেকে পণ্য সংগ্রহে আগ্রহী হন। এরই মধ্যে ভারত ও মিসরে ক্রয়াদেশ স্থানান্তরের তথ্য তাঁরা পেয়েছেন বলে চিঠিতে উল্লেখ করেছেন।
তাঁদের আশঙ্কা, এ ধরনের পরিস্থিতি অব্যাহত থাকলে বাংলাদেশের তৈরি পোশাকশিল্পের বাজার, রপ্তানি আয় এবং দীর্ঘদিনের আন্তর্জাতিক ব্যবসায়িক সম্পর্ক ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে।
কীভাবে তৈরি হলো জটিলতা
বিজিএমইএ ও বিকেএমইএর চিঠিতে বলা হয়েছে, গত ২০ আগস্ট বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ে বস্ত্র ও পোশাক খাত নিয়ে একটি সভা অনুষ্ঠিত হয়। সেখানে নির্ধারিত আলোচ্যসূচির বাইরে বস্ত্রকল মালিকদের সংগঠন বিটিএমএর প্রতিনিধিরা ১০ থেকে ৩০ কাউন্টের কটন সুতা আমদানিতে বন্ড সুবিধা প্রত্যাহারের বিষয়টি উত্থাপন করেন।
পোশাকশিল্পের সংগঠন দুটির দাবি, ওই সভায় এ বিষয়ে কোনো সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়নি। কিন্তু পরে সভার কার্যবিবরণীতে কটন সুতা আমদানিতে বন্ড সুবিধা প্রত্যাহার এবং ব্যাংক গ্যারান্টির মাধ্যমে আমদানির অনুমতি দেওয়ার বিষয়টি সিদ্ধান্ত হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করা হয়।
এর ভিত্তিতে গত ৭ সেপ্টেম্বর এনবিআর সুতা আমদানিতে বন্ড সুবিধা প্রত্যাহার এবং ব্যাংক গ্যারান্টির মাধ্যমে আমদানির বিষয়ে আদেশ জারি করে।
বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের চিঠির পরও প্রত্যাহার হয়নি আদেশ
চিঠিতে আরও বলা হয়েছে, তৈরি পোশাকশিল্পের মালিকদের অনুরোধের পরিপ্রেক্ষিতে বাণিজ্য মন্ত্রণালয় গত ১৩ সেপ্টেম্বর সুতা আমদানিতে বন্ড সুবিধা বাতিলের সিদ্ধান্ত স্থগিত করার জন্য এনবিআরকে চিঠি পাঠায়। তবে এনবিআর আগের আদেশ প্রত্যাহার করেনি।
বরং গত বুধবার, ১৪ অক্টোবর, সংস্থাটি একই ধরনের আরেকটি আদেশ জারি করে বলে চিঠিতে উল্লেখ করা হয়েছে।
বিজিএমইএ ও বিকেএমইএর মতে, এর ফলে রপ্তানিমুখী পোশাক কারখানাগুলোর কাঁচামাল সংগ্রহ এবং উৎপাদন পরিকল্পনায় অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে। সময়মতো কাঁচামাল পাওয়া নিয়ে জটিলতা দেখা দেওয়ায় রপ্তানি কার্যক্রমও ঝুঁকির মধ্যে পড়ছে।
প্রতি পাউন্ড সুতার দাম বেড়েছে ৩০–৫০ সেন্ট
সুতা আমদানিতে বন্ড সুবিধা প্রত্যাহারের পর স্থানীয় স্পিনিং মিলগুলো প্রতি পাউন্ড সুতার দাম ৩০ থেকে ৫০ সেন্ট পর্যন্ত বাড়িয়েছে বলে অভিযোগ করেছে সংগঠন দুটি।
অন্যদিকে, আমদানি করা সুতার ক্ষেত্রে শুল্ক ও কর পরিশোধ অথবা ব্যাংক গ্যারান্টি দেওয়ার বাধ্যবাধকতা রপ্তানিকারকদের চলতি মূলধনের ওপর চাপ তৈরি করছে। ফলে উৎপাদন ব্যয় বাড়ার পাশাপাশি ব্যবসা পরিচালনার জন্য প্রয়োজনীয় অর্থ আটকে থাকছে।
বিশেষ করে ক্ষুদ্র ও মাঝারি রপ্তানিকারক প্রতিষ্ঠানগুলো এ পরিস্থিতিতে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে বলে দাবি করেছেন পোশাকশিল্পের নেতারা। তাঁদের মতে, অর্থের সংকট তৈরি হলে কাঁচামাল সংগ্রহ, উৎপাদন অব্যাহত রাখা এবং সময়মতো বিদেশি ক্রেতাদের পণ্য সরবরাহ করা কঠিন হয়ে পড়বে।
এলডিসি থেকে উত্তরণ পর্যন্ত নীতি পরিবর্তন না করার আহ্বান
প্রধানমন্ত্রীকে দেওয়া চিঠিতে বিজিএমইএ ও বিকেএমইএর সভাপতিরা এনবিআরের আদেশ অবিলম্বে ও নিঃশর্তভাবে প্রত্যাহারের অনুরোধ জানিয়েছেন। একই সঙ্গে স্বল্পোন্নত দেশের (এলডিসি) তালিকা থেকে বাংলাদেশের উত্তরণ পর্যন্ত এ ধরনের গুরুত্বপূর্ণ নীতিগত সিদ্ধান্ত নেওয়া থেকে বিরত থাকার আহ্বান জানিয়েছেন তাঁরা।
তবে সুতা আমদানির বিষয়ে দীর্ঘমেয়াদি সমাধান খুঁজতে বিজিএমইএ, বিকেএমইএ ও বিটিএমএর মধ্যে আলোচনার ভিত্তিতে একটি টেকসই নীতিকাঠামো প্রণয়নের প্রস্তাবও দিয়েছেন সংগঠন দুটির সভাপতি।
তাঁদের মতে, দেশের বস্ত্রকল ও তৈরি পোশাকশিল্পের স্বার্থের মধ্যে ভারসাম্য বজায় রেখে এমন নীতি প্রণয়ন করা প্রয়োজন, যাতে স্থানীয় শিল্পের বিকাশের পাশাপাশি রপ্তানিমুখী কারখানাগুলোর কাঁচামাল সংগ্রহ সহজ হয় এবং আন্তর্জাতিক বাজারে বাংলাদেশের প্রতিযোগিতা সক্ষমতা অক্ষুণ্ন থা

শনিবার, ১৭ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৭ অক্টোবর ২০২৬
১০ থেকে ৩০ কাউন্টের কটন বা তুলার সুতা আমদানিতে বন্ড সুবিধা প্রত্যাহারের সিদ্ধান্ত বাতিল করতে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সহায়তা চেয়েছেন তৈরি পোশাকশিল্পের মালিকেরা। তাঁদের দাবি, এ সিদ্ধান্তের ফলে রপ্তানিমুখী পোশাকশিল্পে কাঁচামাল সরবরাহে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে, বেড়েছে উৎপাদন ব্যয় এবং আন্তর্জাতিক তুলার সুতা আমদানিতে বন্ড সুবিধা প্রত্যাহারের সিদ্ধান্ত বাতিল করতে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সহায়তা চেয়েছেন তৈরি পোশাকশিল্পের মালিকেরা। তাঁদের দাবি, এ সিদ্ধান্তের ফলে রপ্তানিমুখী পোশাকশিল্পে কাঁচামাল সরবরাহে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে, বেড়েছে উৎপাদন ব্যয় এবং আন্তর্জাতিক বাজারে বাংলাদেশের প্রতিযোগিতা সক্ষমতা হুমকির মুখে পড়েছে।
এ পরিস্থিতিতে বিদেশি ক্রেতারা বাংলাদেশের পরিবর্তে ভারত ও মিসরের মতো দেশে পোশাকের ক্রয়াদেশ সরিয়ে নিচ্ছেন বলেও দাবি করেছেন শিল্পমালিকেরা।
বন্ড সুবিধা বহালের দাবি বিজিএমইএ ও বিকেএমইএর
গত বৃহস্পতিবার, ১৫ অক্টোবর, প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে পাঠানো এক যৌথ চিঠিতে সুতা আমদানিতে বন্ড সুবিধা প্রত্যাহারের আদেশ বাতিলের অনুরোধ জানিয়েছে তৈরি পোশাকশিল্প মালিকদের সংগঠন বিজিএমইএ এবং নিট পোশাকশিল্প মালিকদের সংগঠন বিকেএমইএ।
চিঠিতে স্বাক্ষর করেন বিজিএমইএর সভাপতি মাহমুদ হাসান খান এবং বিকেএমইএর সভাপতি মোহাম্মদ হাতেম। তাঁরা অবিলম্বে এবং নিঃশর্তভাবে জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) জারি করা আদেশ প্রত্যাহারের দাবি জানিয়েছেন।
নীতির ঘন ঘন পরিবর্তনে ক্রেতাদের আস্থা কমছে
চিঠিতে পোশাকশিল্পের নীতিগত সিদ্ধান্তে ঘন ঘন পরিবর্তনের বিষয়টি তুলে ধরেছেন দুই সংগঠনের সভাপতি। তাঁদের মতে, গত বছর স্থলপথে সুতা আমদানি বন্ধের উদ্যোগ, আমদানি করা সুতার ওপর সেফগার্ড ডিউটি আরোপের তৎপরতা এবং ২০২৬–২৯ সালের আমদানি নীতিতে নিট কাপড় আমদানি নিষিদ্ধ করার পর সেই সিদ্ধান্ত প্রত্যাহারের মতো ঘটনাগুলো আন্তর্জাতিক ক্রেতাদের মধ্যে উদ্বেগ বাড়িয়েছে।
সংগঠন দুটির নেতারা বলছেন, ব্যবসায়িক নীতির ধারাবাহিকতা নিয়ে অনিশ্চয়তা তৈরি হলে বিদেশি ক্রেতারা বিকল্প দেশ থেকে পণ্য সংগ্রহে আগ্রহী হন। এরই মধ্যে ভারত ও মিসরে ক্রয়াদেশ স্থানান্তরের তথ্য তাঁরা পেয়েছেন বলে চিঠিতে উল্লেখ করেছেন।
তাঁদের আশঙ্কা, এ ধরনের পরিস্থিতি অব্যাহত থাকলে বাংলাদেশের তৈরি পোশাকশিল্পের বাজার, রপ্তানি আয় এবং দীর্ঘদিনের আন্তর্জাতিক ব্যবসায়িক সম্পর্ক ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে।
কীভাবে তৈরি হলো জটিলতা
বিজিএমইএ ও বিকেএমইএর চিঠিতে বলা হয়েছে, গত ২০ আগস্ট বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ে বস্ত্র ও পোশাক খাত নিয়ে একটি সভা অনুষ্ঠিত হয়। সেখানে নির্ধারিত আলোচ্যসূচির বাইরে বস্ত্রকল মালিকদের সংগঠন বিটিএমএর প্রতিনিধিরা ১০ থেকে ৩০ কাউন্টের কটন সুতা আমদানিতে বন্ড সুবিধা প্রত্যাহারের বিষয়টি উত্থাপন করেন।
পোশাকশিল্পের সংগঠন দুটির দাবি, ওই সভায় এ বিষয়ে কোনো সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়নি। কিন্তু পরে সভার কার্যবিবরণীতে কটন সুতা আমদানিতে বন্ড সুবিধা প্রত্যাহার এবং ব্যাংক গ্যারান্টির মাধ্যমে আমদানির অনুমতি দেওয়ার বিষয়টি সিদ্ধান্ত হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করা হয়।
এর ভিত্তিতে গত ৭ সেপ্টেম্বর এনবিআর সুতা আমদানিতে বন্ড সুবিধা প্রত্যাহার এবং ব্যাংক গ্যারান্টির মাধ্যমে আমদানির বিষয়ে আদেশ জারি করে।
বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের চিঠির পরও প্রত্যাহার হয়নি আদেশ
চিঠিতে আরও বলা হয়েছে, তৈরি পোশাকশিল্পের মালিকদের অনুরোধের পরিপ্রেক্ষিতে বাণিজ্য মন্ত্রণালয় গত ১৩ সেপ্টেম্বর সুতা আমদানিতে বন্ড সুবিধা বাতিলের সিদ্ধান্ত স্থগিত করার জন্য এনবিআরকে চিঠি পাঠায়। তবে এনবিআর আগের আদেশ প্রত্যাহার করেনি।
বরং গত বুধবার, ১৪ অক্টোবর, সংস্থাটি একই ধরনের আরেকটি আদেশ জারি করে বলে চিঠিতে উল্লেখ করা হয়েছে।
বিজিএমইএ ও বিকেএমইএর মতে, এর ফলে রপ্তানিমুখী পোশাক কারখানাগুলোর কাঁচামাল সংগ্রহ এবং উৎপাদন পরিকল্পনায় অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে। সময়মতো কাঁচামাল পাওয়া নিয়ে জটিলতা দেখা দেওয়ায় রপ্তানি কার্যক্রমও ঝুঁকির মধ্যে পড়ছে।
প্রতি পাউন্ড সুতার দাম বেড়েছে ৩০–৫০ সেন্ট
সুতা আমদানিতে বন্ড সুবিধা প্রত্যাহারের পর স্থানীয় স্পিনিং মিলগুলো প্রতি পাউন্ড সুতার দাম ৩০ থেকে ৫০ সেন্ট পর্যন্ত বাড়িয়েছে বলে অভিযোগ করেছে সংগঠন দুটি।
অন্যদিকে, আমদানি করা সুতার ক্ষেত্রে শুল্ক ও কর পরিশোধ অথবা ব্যাংক গ্যারান্টি দেওয়ার বাধ্যবাধকতা রপ্তানিকারকদের চলতি মূলধনের ওপর চাপ তৈরি করছে। ফলে উৎপাদন ব্যয় বাড়ার পাশাপাশি ব্যবসা পরিচালনার জন্য প্রয়োজনীয় অর্থ আটকে থাকছে।
বিশেষ করে ক্ষুদ্র ও মাঝারি রপ্তানিকারক প্রতিষ্ঠানগুলো এ পরিস্থিতিতে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে বলে দাবি করেছেন পোশাকশিল্পের নেতারা। তাঁদের মতে, অর্থের সংকট তৈরি হলে কাঁচামাল সংগ্রহ, উৎপাদন অব্যাহত রাখা এবং সময়মতো বিদেশি ক্রেতাদের পণ্য সরবরাহ করা কঠিন হয়ে পড়বে।
এলডিসি থেকে উত্তরণ পর্যন্ত নীতি পরিবর্তন না করার আহ্বান
প্রধানমন্ত্রীকে দেওয়া চিঠিতে বিজিএমইএ ও বিকেএমইএর সভাপতিরা এনবিআরের আদেশ অবিলম্বে ও নিঃশর্তভাবে প্রত্যাহারের অনুরোধ জানিয়েছেন। একই সঙ্গে স্বল্পোন্নত দেশের (এলডিসি) তালিকা থেকে বাংলাদেশের উত্তরণ পর্যন্ত এ ধরনের গুরুত্বপূর্ণ নীতিগত সিদ্ধান্ত নেওয়া থেকে বিরত থাকার আহ্বান জানিয়েছেন তাঁরা।
তবে সুতা আমদানির বিষয়ে দীর্ঘমেয়াদি সমাধান খুঁজতে বিজিএমইএ, বিকেএমইএ ও বিটিএমএর মধ্যে আলোচনার ভিত্তিতে একটি টেকসই নীতিকাঠামো প্রণয়নের প্রস্তাবও দিয়েছেন সংগঠন দুটির সভাপতি।
তাঁদের মতে, দেশের বস্ত্রকল ও তৈরি পোশাকশিল্পের স্বার্থের মধ্যে ভারসাম্য বজায় রেখে এমন নীতি প্রণয়ন করা প্রয়োজন, যাতে স্থানীয় শিল্পের বিকাশের পাশাপাশি রপ্তানিমুখী কারখানাগুলোর কাঁচামাল সংগ্রহ সহজ হয় এবং আন্তর্জাতিক বাজারে বাংলাদেশের প্রতিযোগিতা সক্ষমতা অক্ষুণ্ন থা

মতামত