ঢাকা শনিবার, ১৬ মে ২০২৬

উইকেট নিয়ে পাকিস্তানের ভাবনা, আগ্রাসী পরিকল্পনায় বাংলাদেশ

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ১৫ মে, ২০২৬, ০৮:৩৯ রাত

ছবি: সংগৃহীত

সিলেট আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়ামে বাংলাদেশ-পাকিস্তান সিরিজের দ্বিতীয় ও শেষ টেস্ট শুরুর আগে আলোচনার কেন্দ্রে উঠে এসেছে উইকেট ও আবহাওয়া। টানা বৃষ্টি আর সবুজ ঘাসে ঢাকা পিচ ঘিরে দুশ্চিন্তায় পাকিস্তান শিবির, অন্যদিকে আক্রমণাত্মক ক্রিকেটের পরিকল্পনা নিয়ে আত্মবিশ্বাসী বাংলাদেশ।

শনিবার শুরু হতে যাওয়া টেস্টে বাংলাদেশের একাদশে বড় পরিবর্তনের আভাস মিলছে। বিশেষ করে তরুণ ওপেনার Tanzid Hasan Tamim-এর অভিষেক প্রায় নিশ্চিত বলেই ধারণা করা হচ্ছে। আক্রমণাত্মক ব্যাটিং মানসিকতার কারণে তাকে টেস্ট স্কোয়াডে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। টিম ম্যানেজমেন্ট চাইছে শুরু থেকেই প্রতিপক্ষ বোলারদের ওপর চাপ তৈরি করতে।

শুক্রবার অনুশীলনে নতুন বলের বিপক্ষে বেশ আত্মবিশ্বাসী দেখা গেছে তানজিদকে। একই সঙ্গে ব্যাটিং করেছেন Mushfiqur Rahim, Mominul HaqueZakir Hasan। ইনজুরিতে ছিটকে যাওয়া Shadman Islam-এর জায়গায় স্কোয়াডে আসা জাকিরকে অবশ্য খুব স্বচ্ছন্দ মনে হয়নি।

অন্যদিকে ওপেনার Mahmudul Hasan Joy ফিল্ডিং অনুশীলনে সময় কাটিয়েছেন। ঢাকা টেস্টে আঙুলে চোট পেলেও স্লিপ ক্যাচ ও লং ক্যাচ অনুশীলনে তাকে বেশ স্বাভাবিক দেখিয়েছে।

বাংলাদেশের পেস আক্রমণেও পরিবর্তনের সম্ভাবনা রয়েছে। সিলেটের কন্ডিশন বিবেচনায় একাদশে জায়গা পেতে পারেন Shoriful Islam। তার সঙ্গে থাকতে পারেন Taskin AhmedNahid Rana। সবুজ উইকেটে অতিরিক্ত পেস অপশন কাজে লাগাতে চাইছে টিম ম্যানেজমেন্ট।

অনুশীলনের ফাঁকে মুশফিক বলেন, দলের কম্বিনেশন নিয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবে টিম ম্যানেজমেন্ট ও অধিনায়ক। একই সঙ্গে তিনি সাদমান ও জয়কে সামর্থ্যবান ক্রিকেটার বলেও উল্লেখ করেন।

এদিকে পাকিস্তান শিবিরে অনুশীলনের চেয়ে বেশি আলোচনা হয়েছে উইকেট নিয়ে। বৃষ্টির কারণে পূর্ণাঙ্গ স্কিল সেশন করতে পারেনি দলটি। ক্রিকেটাররা মূলত ইনডোরে ব্যাটিং অনুশীলন করেছেন। তবে মাঠে গিয়ে পিচের ঘাস, আর্দ্রতা ও বাউন্স খুঁটিয়ে পর্যবেক্ষণ করতে দেখা গেছে তাদের।

সিলেটের উইকেট সাধারণত পেসারদের সহায়তা করে। তার ওপর মেঘলা আবহাওয়া ও বৃষ্টির সম্ভাবনা থাকায় প্রথম দুই দিনে সুইং ও সিম মুভমেন্ট বড় ভূমিকা রাখতে পারে। তাই টস জিতে আগে বোলিং করাটাই সুবিধাজনক হতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। ম্যাচ গড়ানোর সঙ্গে সঙ্গে উইকেট ধীর হয়ে স্পিনারদেরও সহায়তা দিতে পারে।

পাকিস্তানের কোচ Sarfaraz Ahmed বলেছেন, ঢাকা টেস্টের হতাশা পেছনে ফেলে নতুন ম্যাচে ঘুরে দাঁড়ানোর লক্ষ্য নিয়েই তারা মাঠে নামবে।

দলের জন্য বড় স্বস্তির খবর হতে পারে Babar Azam-এর ফেরা। ইনজুরির কারণে আগের টেস্টে খেলতে পারেননি তিনি। তবে এবার একাদশে ফিরলে পাকিস্তানের ব্যাটিং আরও শক্তিশালী হবে বলেই মনে করছে দলটি।

যদিও বাবরের ফেরা নিয়ে খুব বেশি চিন্তিত নন মুশফিক। বাংলাদেশের এই অভিজ্ঞ ক্রিকেটার মনে করিয়ে দিয়েছেন, পাকিস্তানের মাটিতেও বাবরকে খেলিয়েই বাংলাদেশ সিরিজ জিতেছিল।

 

Link copied!